Amit Malviya alleges TMC
Bengal Liberty, Kolkata: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের(Amit Malviya alleges TMC) নামে যে প্রশাসনিক কারসাজি চলছে, তার ভয়ংকর ছবি সামনে আনলেন বিজেপির সর্বভারতীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান অমিত মালব্য(Amit Malviya alleges TMC), আজ তিনি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি পোষ্ট করেন সেখানে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের অধীনে ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনায় চরম অনিয়ম ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন।
তিনি এটাও অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে মৃত ভোটার ইস্যু তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করছেন, তা সম্পূর্ণ সাজানো নাটক।
ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকে ‘মৃত’ ঘোষণা তৃণমূলের BLO-র (Amit Malviya alleges TMC)
অমিত মালব্যের(Amit Malviya alleges TMC) দাবি অনুযায়ী, কাকলি সাহা নামে এক BLO যিনি একইসঙ্গে সক্রিয় তৃণমূল কর্মী তিনি ব্যক্তিগত বিবাদের জেরে আদিবাসী যুবক জগন্নাথ সরদারকে ভোটার তালিকায় ‘মৃত’ বলে নথিভুক্ত করেন।এই ঘটনা কোনও প্রশাসনিক বিভ্রান্তি বা প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, বরং সচেতনভাবে একজন জীবিত নাগরিককে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা বলেই দাবি করেন তিনি।

বিজেপির হস্তক্ষেপে ফাঁস তৃণমূলের ষড়যন্ত্র (Amit Malviya alleges TMC)
অমিত মালব্য জানান, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় জনতা পার্টি হস্তক্ষেপ না করলে জগন্নাথ সরদার আজও সরকারি নথিতে ‘মৃত’ হিসেবেই থেকে যেতেন। বিজেপির উদ্যোগে আইনসম্মতভাবে Form 6 পূরণ ও অনলাইনে জমা দেওয়া হয় এবং সমস্ত যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর জগন্নাথ সরদারের ভোটার আইডি অনুমোদিত হয়, যার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে তিনি জীবিত ও বৈধ ভোটার।

ভুল ঢাকতে দিল্লিতে গিয়ে নাটক(Amit Malviya alleges TMC)
বিষয়টি এখানেই থামেনি বলে দাবি করেন অমিত মালব্য(Amit Malviya alleges TMC)। তাঁর অভিযোগ, সত্য প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূল কংগ্রেস জগন্নাথ সরদারকে দিল্লিতে নিয়ে যায় এবং নির্বাচন কমিশনের সামনে হাজির করে একটি সাজানো ক্ষোভ ও ভিকটিম ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করে যাতে প্রশাসনিক অপরাধ আড়াল করা যায়। এবং এর উদ্দেশ্য ছিল নিজেদের করা অপরাধ ঢেকে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাকে দোষী প্রমাণ করা। অমিত মালব্যর(Amit Malviya alleges TMC) মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার ভ্রান্ত ও অসৎ উদাহরণ তুলে ধরে এই ঘটনাকে অন্য খাতে ঘোরানোর চেষ্টা করছেন। ভুলকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ হিসেবে দেখানো এবং অপরাধকে প্রশাসনিক ত্রুটি বলে চালানোর এই কৌশলই তৃণমূলের পুরনো রাজনীতির অংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই প্রেক্ষাপটে অমিত মালব্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে Special Intensive Revision (SIR) কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নয়, বরং একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অবৈধ ও ভুয়ো ভোটারমুক্ত তালিকাই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি এবং এই কারণেই SIR হবেই, যত বাধাই আসুক না কেন। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল ভোটার তালিকা নিয়ে দুর্নীতির শিকড় বাংলার শাসকদলের মধ্যেই। আর সেই সত্য ঢাকতেই মমতা-অভিষেকের নেতৃত্বে প্রতিদিন নতুন নতুন ভাঁওতা সাজানো হচ্ছে। কিন্তু সত্য যতই চাপা দেওয়ার চেষ্টা হোক, অমিত মালব্যের টুইট সেই পর্দা টেনে নামিয়ে দিল।
