Golpark Violence Arrest
Bengal Liberty Desk, ৪ ফেব্রুয়ারি, কলকাতা: গত রবিবার রাতে দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোড যে ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল, সেই ঘটনায় এবার আরও দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ (Golpark Violence Arrest)। এই নিয়ে রবিবারের তাণ্ডব, বোমাবাজি এবং গুলি চলার ঘটনায় মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হল (Golpark Violence Arrest)। তবে যে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বেধেছিল, সেই দুই গোষ্ঠীর মূল ‘মাথা’রা এখনও অধরা (Golpark Violence Arrest)।
গত রবিবার রাতের গোলমালের পর থেকে অভিযুক্তদের খোঁজে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ (Golpark Violence Arrest)। গতকাল, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অভিযানের সময়ে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয় (Golpark Violence Arrest)। ধৃতদের নাম রাকেশ বণিক এবং রাজীব দাস ওরফে সোনু (Golpark Violence Arrest)। উভয়েই রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার পঞ্চাননতলা রোডের বাসিন্দা। রবিবারের তাণ্ডবের ঘটনার পর সেই রাত থেকেই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ (Golpark Violence Arrest)। ওই রাতেই গ্রেফতার করা হয় ১০ জনকে। পরে সোমবার রাতের পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার করা হয় আরও চার জনকে (Golpark Violence Arrest)। মঙ্গলবারও বিকেল পর্যন্ত পুলিশি অভিযানে তিন জন ধরা পড়েন। রাতে গ্রেফতার করা হয় আরও দুই অভিযুক্তকে। সব মিলিয়ে গোলপার্ক কাণ্ডে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ (Golpark Violence Arrest)।
কী হয়েছিল (Golpark Violence Arrest)?
গত ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার রাতে গোলপার্কের কাছে পঞ্চাননতলায় একটি ক্লাবের পিকনিক চলাকালীন দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয় (Golpark Violence Arrest)। অভিযোগ, সেই সময় প্রায় ১০০-১৫০ জন দুষ্কৃতী এলাকায় চড়াও হয়ে মুড়িমুড়কির মতো বোমা ছুড়তে থাকে এবং অন্তত এক রাউন্ড গুলি চালানো হয় (Golpark Violence Arrest)। দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে পুলিশের গাড়ি-সহ একাধিক বাইক ও চারচাকা ভ্যান ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় গণেশ দাস ও সনৎ সিং নামে দু’জন গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন (Golpark Violence Arrest)।
সোনা পাপ্পুর ফেসবুক লাইভ ও বিতর্ক (Golpark Violence Arrest)-

এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের নেপথ্যে কুখ্যাত দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারের নাম উঠে এসেছে (Golpark Violence Arrest)। পুলিশ যখন তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে, তখনই গতকাল, মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে সোনা পাপ্পু (Golpark Violence Arrest) দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে মাঘী পূর্মিমায় পুজো করছিলেন। এমনকি তাকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দেন তিনি (Golpark Violence Arrest)।
বর্তমান পরিস্থিতি (Golpark Violence Arrest)-
কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপির নেতৃত্বাধীন গোয়েন্দা দল এবং রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ (Golpark Violence Arrest) সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে বাকি অভিযুক্তদের শনাক্ত করছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, অস্ত্র আইন এবং খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে (Golpark Violence Arrest)। বাবুসোনা গ্রেফতার হওয়ার পর পুলিশের আশা, সোনা পাপ্পুর সঠিক ডেরার হদিশ দ্রুত পাওয়া যাবে (Golpark Violence Arrest)।
