Narendra Modi Bengal visit
Bengal Liberty, ৫ এপ্রিল ২০২৬ :
ভোটমুখী বাংলায় ফের নরেন্দ্র মোদির আগমন। কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদির সভাকে ঘিরে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে Modi coochbihar rally। কোচবিহার সবসময়ই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেই কোচবিহার থেকেই তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দেবেন মোদি। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারের ৯টি আসনের সবকটিতেই জিততে মরিয়া বিজেপি। বিজেপির দাবি অনুযায়ী, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে।

জনজোয়ারের আশঙ্কা Modi coochbihar rally
কোচবিহার ছাড়াও জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদা ও মুর্শিদাবাদ থেকেও হাজার হাজার মানুষ ও কর্মী মোদির মেগা সভায় যোগ দিতে আসছেন। সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন কোচবিহারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থীরা। সব মিলিয়ে মেগা সভার জন্য প্রস্তুত বিজেপির নেতৃত্ব।

সভায় যাঁরা উপস্থিত থাকতে পারেন
কোচবিহার থেকে মনোনীত প্রার্থীরা সভায় উপস্থিত থাকবেন। যেমন— মাথাভাঙা থেকে নিশীথ প্রামাণিক, কোচবিহার উত্তর থেকে সুকুমার রায়, কোচবিহার দক্ষিণ থেকে রথীন্দ্রনাথ বসু, শীতলকুচি থেকে সাবিত্রী বর্মন, সিতাই থেকে আশুতোষ বর্মা, দিনহাটা থেকে অজয় রায়, নাটাবাড়ি থেকে উদয়শঙ্কর রায় ও তুফানগঞ্জ থেকে মালতী রাভা রায়।
জোরদার নিরাপত্তা:
নো ফ্লাইং জোন: এলাকাটিকে নো ফ্লাইং জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা: সভাস্থলে তল্লাশি চালাচ্ছে এসপিজি (SPG) ও কোচবিহার জেলা পুলিশ। কাজ করছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর ও বম্ব স্কোয়াড।
নাকা চেকিং: শহরের বিভিন্ন প্রান্তে জোরকদমে চলছে নাকা চেকিং।
মোদির গুরুত্বপূর্ণ আসন্ন সভা :
৫ এপ্রিল (কোচবিহার ): প্রচার অভিযান শুরুর জন্য রাস মেলা ময়দানে সমাবেশ।
৯ এপ্রিল (সুরি ও আসানসোল): বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় দুটি জনসভা।
১১ এপ্রিল (কৃষ্ণনগর, জঙ্গিপুর, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর): একাধিক জনসভা।
১২ এপ্রিল (শিলিগুড়ি): রোডশো ও জনসভা।
বিশেষ বার্তা কিংবা ঘোষণা:
নরেন্দ্র মোদির সভা মানেই বিশেষ কিছু পরিকল্পনার ঘোষণা, যা আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভিত আরও মজবুত করবে— এমন ঘোষণার সম্ভাবনা প্রবল – জল জোয়ার পরিকল্পনা, কর্মসংস্থান অর্থাৎ নতুন কোনো কারখানা তৈরির ঘোষণা, যুবক-যুবতীদের জন্য বিশেষ কোনো প্রতিশ্রুতি, বিশেষ করে, নারী সুরক্ষার যা বাংলায় আজ দুর্বিসহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে, সেই সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি মানুষ আশা করছে।
কোচবিহারের সভা থেকেই তৃণমূলকে পুরোপুরি উৎখাতের ডাক দিয়ে ‘নির্মল ও সুফল বাংলা’ গড়ার বার্তা দেবেন নরেন্দ্র মোদি। শেষমেশ তিনি কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সবাই।
