Mothabari case
Bengal Liberty, ২৪ এপ্রিল :
মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডে এবার চূড়ান্ত ক্লাইম্যাক্স (NIA Report Submission)! খোদ বিচারকদের আটকে রেখে যে বেনজির ও নক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল রাজ্য, এবার সেই মামলাতেই জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-কে চার্জশিট দেওয়ার অনুমতি দেয় শীর্ষ আদালত। রিপোর্ট পেশ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে চাটশিট দেওয়ার জন্য সময় চায় NIA। আরও নিখুঁত এবং গোটা ঘটনার পরিকল্পনা, উস্কানি এবং বিশৃঙ্খলা তৈরির পিছনে কাদের হাত আছে সবটা মিলিয়ে চার্জশিট দেওয়ার জন্য সময় চায় NIA। সময় দিলেন বিচারপতি (NIA Report Submission)।

মোফাক্কেরুলকে হেফাজতে রাখার নির্দেশ, সাফল্য NIA-এর (NIA Report Submission)
অপরদিকে, মালদহের কালিয়াচকের মোথাবাড়িতে বিডিও অফিসে বিচারকদের আটকে রাখার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ধৃত আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল এনআইএ, এবার সেই আবেদনেই সায় দিল কলকাতার নগর দায়রা আদালত। ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী আকরামূল বাগানিকে এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফ থেকে। এনআইএ সূত্রে জানা গেছে, গোটা ঘটনার পরিকল্পনা, উস্কানি এবং বিশৃঙ্খলা তৈরির পিছনে মোফাক্কেরুল ও আকরামুলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। সেই কারণেই তাঁদের সরাসরি জেরা করে আরও তথ্য সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি বলে আদালতে জানানো হয়। আদালত সেই যুক্তিতে সন্তুষ্ট হয়েই হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

ঘটনার প্রেক্ষাপট (NIA Report Submission)
প্রসঙ্গত গত ১ এপ্রিল এসআইআরকে কেন্দ্র করে মালদহের মোথাবাড়িতে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, সেই সময় সাতজন বিচারপতিকে দীর্ঘক্ষণ বিডিও অফিসের ভিতরে আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টের দোরগোড়ায়। এবং পরে শীর্ষ আদালতের নির্দেশে গোটা ঘটনার তদন্তভার নেয় এনআইএ । কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তদন্ত যাওয়ার পর থেকেই একের পর এক গ্রেপ্তারি এবং মামলার নথিভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় মোট ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ১২টি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে এনআইএর খাতায়।
