Election commission
Bengal Liberty, ২৭ এপ্রিল :
রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন (Election commission)। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের পরিবেশ তৈরি করতে আগেভাগেই শুরু হয়েছে কড়া নজরদারি ও সাঁড়াশি অভিযান। গত ৩৬ ঘণ্টায় রাজ্যজুড়ে ১৫৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করার ঘটনাই সেই প্রস্তুতির স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। কমিশনের নির্দেশে সম্ভাব্য দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ায় প্রশাসনের তৎপরতা সামনে এসেছে তেমনই ভোটের আগে রাজনৈতিক আবহেও তৈরি হয়েছে নতুন চাপানউতোর (Election commission)।

কড়া নজরদারিতে কমিশন (Election commission)
দ্বিতীয় দফার ভোটকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক ধরপাকড়। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ১০৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গত ৩৬ ঘণ্টায় এই সংখ্যা পৌঁছেছে ১৫৪৩-এ। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল- যে কোনওভাবে অশান্তি ছড়াতে পারে এমন ব্যক্তিদের আগেভাগে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে।

জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান (Election commission)
গ্রেপ্তারির নিরিখে শীর্ষে রয়েছে পূর্ব বর্ধমান, যেখানে ৪৭৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তালিকায় উল্লেখযোগ্য নাম তৃণমূলের কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকত, যাঁকে রবিবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনায় ৩১৯ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৪৬ জন, হুগলিতে ৪৯ জন এবং নদীয়ায় ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা ও চাপানউতোর। তবে প্রশাসনের দাবি, কোনও রাজনৈতিক রং না দেখে শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল বাড়ানো হয়েছে। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ভোট সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই কড়া নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
