Manoranjan Mondal ED Raid
Bengal Liberty Desk, ১১ মার্চ: কয়লা পাচার মামলার তদন্ত ঘিরে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আজ, বুধবার দুর্গাপুরে ফের পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে হানা দিয়ে তল্লাশি চালাল ইডি। বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে পৌঁছে নথিপত্র খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। একই সঙ্গে তাঁকে ফের হাজিরার নোটিসও ধরানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
দুর্গাপুরে মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে ইডির তল্লাশি (Manoranjan Mondal ED Raid)!

বুধবার সকালে ইডির তদন্তকারীরা দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারের অম্বুজা নগরীতে মনোরঞ্জনের বাড়িতে হানা দেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘিরে রাখে বাড়ি। চলে তল্লাশি।
জানা গিয়েছে, ইডি এদিন মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে পৌঁছেই তাঁর গেটে একটি নোটিস টাঙিয়ে দেয়। তাতে লেখা রয়েছে, আগামী ১৩ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে হাজিরা দিতে হবে। এই নিয়ে বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসিকে তৃতীয় বার সমন ধরাল ইডি। এদিনও বাড়ির ভিতরে নথিপত্রের খোঁজে তল্লাশি চালান অফিসাররা, এমনটাই সূত্রের খবর। পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
কয়লা পাচার মামলায় প্রোটেকশন মানির অভিযোগ (Manoranjan Mondal ED Raid)!
ইডি সূত্রে খবর, কয়লা পাচার মামলায় প্রোটেকশন মানির লেনদেনের সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে মনোরঞ্জন মণ্ডলের। অভিযোগ, কয়লা ব্যবসায়ীদের টাকা পাচারের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়েছিলেন তিনিও। সেই বিষয়েই তাঁকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় বলে খবর।
এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় গত ৩ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। এরপর তাঁকে একাধিকবার তলবও করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এমনকী তাঁর স্ত্রীকেও তলব করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি।
আরও পড়ুন (Manoranjan Mondal ED Raid)-
কয়লা মামলায় ৯ জনের তালিকা ঘিরে চাঞ্চল্য, (Budbud Police Station OC Summoned) ইডির নজরে পুলিশ আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডল
ED Raid in Bengal কয়লা পাচার মামলায়(West Bengal Coal Scam) ইডির হানায় এবার পুলিশ আধিকারিক, বুদবুদ থানার ওসির বাড়িতে তল্লাশি
একাধিকবার দুর্নীতির অভিযোগ (Manoranjan Mondal ED Raid)
উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি মাসে বুদবুদ থানার ওসির দায়িত্ব পেয়েছিলেন মনোরঞ্জন মণ্ডল। কিছুদিনের মধ্যেই চার্জ নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু ইডির অভিযোগ ওঠার পরই তাঁকে ওই পদ থেকে সরিয়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চে বদলি করা হয়। এর আগেও ২০২৪ সালে বারাবনি থানার ওসি থাকাকালীন দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

