Manoranjan Mondal ED Raid
Bengal Liberty, Kolkata: কয়লা পাচার তদন্তে নতুন মোড়(Budbud Police Station OC Summoned)। এবার বুদবুদ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। অভিযোগ, বেআইনি কয়লা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত প্রোটেকশন মানি লেনদেনের সূত্রে তাঁর নাম উঠে এসেছে তদন্তে।
ঠিক কী ঘটেছে? (Budbud Police Station OC Summoned)
তদন্তকারী সূত্রের দাবি, চলতি মাসের শুরুতেই ওই পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেখান থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং ডিজিটাল তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তে আরও অভিযোগ, কয়লা পাচারের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নিয়মিত টাকা নেওয়া হত, যাতে পাচার চক্র নির্বিঘ্নে কাজ চালাতে পারে।
এই মামলায় ইতিমধ্যেই একাধিক সন্দেহভাজনের নাম উঠে এসেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, একটি বড় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বেআইনি কয়লা পাচার এবং অর্থ লেনদেন চলত। উদ্ধার হওয়া মোবাইল ডেটা, চ্যাট এবং আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই তদন্ত এগোচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, এই মামলায় সিন্ডিকেট ঘনিষ্ঠ আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে বলে খবর।
৯ জনের তালিকায় নাম(Budbud Police Station OC Summoned)
তদন্তে বাজেয়াপ্ত নথি খতিয়ে দেখে যে সম্ভাব্য তালিকা তৈরি হয়েছে, সেখানে ৯ জনের নাম রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে মনোরঞ্জন মণ্ডলের নামও রয়েছে। তদন্তকারীরা প্রত্যেকের ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন।
এছাড়াও তদন্তে আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চিন্ময় মণ্ডল, কিরণ খান, শেখ আখতার, প্রবীর দত্ত, অমিত বনশল এবং মির্জা নিজামুদ্দিন। তদন্তকারীরা প্রত্যেকের ভূমিকা এবং আর্থিক লেনদেনের সম্ভাব্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন বলে জানা গিয়েছে।
এই ঘটনার পর ফের একবার রাজ্যের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি রোধে কার্যকর নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধীদের দাবি, কয়লা পাচার মামলার তদন্ত যত এগোবে, ততই আরও প্রভাবশালী নাম সামনে আসতে পারে। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের একাংশের প্রশ্ন, বেআইনি আর্থিক চক্র রুখতে প্রশাসন কতটা কঠোর ভূমিকা নেবে, সেটাই এখন দেখার। তদন্তের অগ্রগতি এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারন মানুষের।

