tariff war
Bengal liberty: আচমকাই পুরোনো বন্ধু ভারতের কথা মনে পড়ে গিয়েছিল আমেরিকার। এক্স পোস্ট পোস্ট করে বাণিজ্যিক জট কাটানোর প্রস্তাব রাখেন ট্রাম্প। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ভোল বদল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের। কয়েক ঘন্টাও পার হতে পারল না, ভারতের সঙ্গে শত্রু সুলভ আচরণ শুরু। তবে মুখে বন্ধুত্বের বাণী। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর,ইউরোপ ইউনিয়ানের কাছে ভারত ও চীনের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক চাপানোর প্রস্তাব রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ঐক্যের বার্তা দিয়ে, কেন মুখ ফেরাল ট্রাম্প? (Tariff war)

দ্বিচারিতা মনোভাবের জন্য বরাবরই চর্চিত ট্রাম্প। তাঁর বিরুদ্ধে সমালোচনার শেষ নেই সংশ্লিষ্ট মহলে। মুখে এক, কাজে আরেক স্বভাব তাঁর। বুধবার ভারতের সঙ্গে ফের বন্ধুত্বের হাতে বাড়িয়ে এক্স হ্যান্ডেলে ট্রাম্প লেখেন, আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাধা (Trade Barriers) দূর করার আলোচনাকে অব্যাহত রেখেছে। আগামী সপ্তাহগুলোতে বন্ধু নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলার অপেক্ষায় রইলাম। নিশ্চিত দুই দেশের স্বার্থে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে কোনওরকমের অসুবিধা হবে না!
পোস্টের পাল্টা উত্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী বলে জানান।
সময় গড়াতেই মুখোশ খুলে যায় ট্রাম্পের (Tariff war)
আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ট্রাম্প ইউরোপ ইউনিয়ন কর্তাদের ভারত ও চীনের ওপর ১০০% পর্যন্ত শুল্ক চাপানোর কথা বলেছেন। কারণ হিসেবে রুশ- ইউক্রেনের যুদ্ধকে দর্শীয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্য, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়াকে ঠেকাতে গেলে সে দেশের আর্থিনীতিকে চাপে ফেলতে হবে। ফলত ভারতের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করতে হবে। যাতে তেল কিনে রাশিয়ার আর্থিনীতিকে চাঙ্গা না- করতে পারে ভারত।’
