Khardah police case
Bengal Liberty Desk, ২৩ মার্চ:
রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের তপ্ত আবহের মধ্যেই বড় আইনি স্বস্তি পেলেন নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Khardah police case)। কলকাতা হাইকোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে খড়দহ থানার দায়ের করা স্বতঃপ্রণোদিত মামলার তদন্তে ১২ সপ্তাহের অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে বিচারপতি অজয় কুমার মুখোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ।
২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর এক মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খড়দহ থানার পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে একটি মামলা দায়ের করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই আদালতের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু অধিকারী। পরবর্তীতে শুনানির পর আদালত জানায়, আপাতত তদন্তে স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। ফলে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও আইনি স্বস্তি মিলল বিরোধী দলনেতার।

রাজনৈতিক তাৎপর্য বাড়ছে Khardah police case
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নির্দেশকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ভোটের মুখে বিরোধী শিবিরের অন্যতম মুখকে ঘিরে থাকা মামলার অগ্রগতি সাময়িকভাবে থমকে যাওয়ায় রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্ট এখন লড়াই মূলত নির্বাচনী ময়দানেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

দুই কেন্দ্রেই প্রার্থী
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর এই দুই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই জোরকদমে প্রচার শুরু করেছেন তিনি।
মনোনয়ন ঘিরে আইনি পদক্ষেপ
এরই পাশাপাশি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, পুলিশের কাছে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলির নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীদের হলফনামায় সমস্ত অপরাধমূলক মামলার বিস্তারিত উল্লেখ বাধ্যতামূলক। এই পরিস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগেই সম্পূর্ণ তথ্য জানার স্বার্থে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।
সব মিলিয়ে, ১২ সপ্তাহের এই অন্তর্বর্তী স্বস্তি আপাতত কিছুটা স্বস্তি মিললেও আইনি লড়াই এখনও শেষ হয়নি। ভোটপর্ব মিটলেই মামলার পরবর্তী শুনানি কোন পথে এগোয়? সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
