Epic Fury 2.0
Bengal liberty, 16 মে:
বিশ্ব রাজনীতিতে ফের যুদ্ধের দামামা? চিন সফর সেরে দেশে ফিরেই ইরান নিয়ে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মেজাজে ধরা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Epic Fury 2.0)। জানা গেছে, ইরানের ওপর এক বিশাল সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘এপিক ফিউরি ২.০’ (Epic Fury 2.0)।

কেন এই নতুন উত্তেজনা? (Epic Fury 2.0)
মূল বিবাদ ‘হরমুজ প্রণালী’ নিয়ে। এই জলপথ দিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যের সিংহভাগ তেল সরবরাহ হয়। আমেরিকা চায় এই পথে তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, কিন্তু ইরান তাতে বাধা দিচ্ছে। ট্রাম্প চাইছেন আমেরিকার আসন্ন ‘মিডটার্ম’ নির্বাচনের আগেই এই জলপথ পুরোপুরি খুলে দিয়ে নিজের রাজনৈতিক সাফল্য প্রমাণ করতে। কিন্তু কূটনৈতিক আলোচনা বারবার ভেস্তে যাওয়ায় এবার যুদ্ধের পথেই সমাধান খুঁজছে হোয়াইট হাউস।
চিন সফর ও ট্রাম্পের কড়া বার্তা
চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক সেরে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে বসে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দেন, ইরানের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব তাঁর পছন্দ হয়নি। তিনি বলেন, “আমি প্রস্তাবটা দেখেছি, প্রথম বাক্য পছন্দ না হলে আমি তা ছুড়ে ফেলে দিই।” যদিও চিন ইরানের বড় বাণিজ্যিক বন্ধু, তবুও ট্রাম্পের এই মনোভাব চিনের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

যুদ্ধের প্রস্তুতি কতটা? (Epic Fury 2.0)
রিপোর্ট অনুযায়ী, এবারের অভিযানে আমেরিকার পাশে থাকছে ইজরায়েল। পেন্টাগনের আধিকারিকেরা বেশ কিছু সামরিক পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও পরিকাঠামোয় বড়সড় বিমান হামলা চালানো হতে পারে। ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলো থেকে ইউরেনিয়াম সরাতে বিশেষ কমান্ডো বাহিনী নামানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। ইজ়রায়েল ও আমেরিকার সেনারা ইতিমধ্যে যুদ্ধের মহড়া শুরু করে দিয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ‘এপিক ফিউরি’ নামে একটি অভিযান চালিয়েছিল আমেরিকা। এবার তারই দ্বিতীয় সংস্করণ বা ‘২.০’ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যদি আলোচনা ফলপ্রসূ না হয়, তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ায় ফের বড়সড় সংঘাতের সাক্ষী হতে পারে বিশ্ব।
