kalyan banerjee on gyanesh kumar
Bengal liberty: বেফাঁস মন্তব্যের জন্য প্রায়ই তর্কের শীর্ষে উঠে আসেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই রাজ্যপাল-সাংসদ সংঘাতের সাক্ষী ছিল বঙ্গবাসী। এবার স্বভাবসিদ্ধ সাংসদ তাঁর তীক্ষ্ণ বাক্যবানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে বিধলেন।
কিছু দিন আগেই জোর গলায় তিনি দাবি করেছিলেন, “রাজভবনে বোমা-গুলি মজুত রয়েছে।বিজেপি কর্মীদের সেগুলো হস্তান্তর করা হয়।” এই মন্তব্য রাজ্যপালের কানে পৌঁছাতেই চটে যান তিনি।রাজভবন ফাঁকা করে চিরুনি তল্লাশি করান তিনি। তল্লাশি অভিযানে তদন্তকারী অধিকারিকদের সঙ্গে স্বয়ং রাজ্যপাল। সেটা আবার লাইভ সম্প্রচারও হয় রাজ্যপালের সিভিআনন্দ বোসের নিদানেই। যদিও শেষে কিছু মেলে নি রাজভবন। এরপরেই কল্যাণের তরফ থেকে আসা মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করে রাজভবন। পাল্টা পদক্ষেপ নেন তৃণমূল সাংসদও। এতো কিছুর পরেও সংযত হননি সাংসদ। কয়েকদিন কাটতেই ফের স্বভাবসিদ্ধ কল্যাণ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ঝাঁঝালো আক্রমণ করেন। সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন ‘আত্মহত্যা-মৃত্যুতে আনন্দ পাচ্ছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার’। তাঁর আরও সংযোজনা, ‘কয়েকদিন পশ্চিমবঙ্গের গ্রামে গ্রামে ঘুরুন, দেখে যান কী অবস্থা’। ‘আপনি কোনও দিন গ্রামে যাননি, AC ঘরে বসে অনেক পরিকল্পনা করা সম্ভব,কোনও দিন গ্রামে যাননি।’ কমিশনার গণতন্ত্রকেও ধ্বংস করছেন বলেও দাবি করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজনৈতিক চর্চায় ভেসে থাকতে কল্যাণের এই কৌশল (kalyan banarjee)
বিরোধী মহলের মহলের প্রশ্ন, বরংবার রাজ্যের সংবিধানিক প্রধান বা সংবিধানিক সংস্থার দিকে বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য ছুড়ে দিচ্ছেন কেন তৃণমূল সাংসদ? তবে কী শুধুই প্রচারমূলক রাজনীতিতে ভেসে থাকতে এবং দলে নম্বর বাড়াতে বাকযুদ্ধে নামেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়?
