Narendra modi
Bengal Liberty: বিহার ভোটের ফল শুধু রাজ্য রাজনীতিতে নয়, জাতীয় স্তরেও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। অনেক বিশ্লেষক এই ফলাফলকে ১৯৯০-এর দশকে শুরু হওয়া সামাজিক ন্যায়ভিত্তিক, অর্থাৎ মণ্ডল পরবর্তী-রাজনীতির সঙ্গে এক ধরনের চূড়ান্ত বিচ্ছেদ বলে মনে করছেন। অনেকে আবার একে খণ্ডিত জাতিভেদের রাজনীতি এবং ক্রমবর্ধমান সংখ্যাগুরু রাজনীতির প্রতিফলন হিসেবেও দেখছেন।
বিহারে BJP-র ঐতিহাসিক অগ্রগতি (BJP)
গত এক দশকে বিহারে ভোট পেতে হিমশিম খেলেও, এবারের নির্বাচনে BJP সাফল্য উল্লেখযোগ্য। বিশ্লেষকদের মতে, এবার থেকেই বিহারে বিজেপি’র সামাজিক নিয়ন্ত্রণের পথ এক প্রকার খুলে গেল। গতবারের তুলনায় এবারে JD(U)–র আসন বাড়লেও, NDA-র হাল ধরেছে গেরুয়া শিবিরই। ভবিষ্যতে জোটে JD(U)-র প্রাসঙ্গিকতা আরও কমে আসার আশঙ্কা।
পূর্ব ভারতের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ(BJP)
বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলকে অনেকেই মহারাষ্ট্রের গত নির্বাচনের ফলাফলের সঙ্গে তুলনা করছেন। কারণ, বিজেপির বিপুল আসন বৃদ্ধি, আগের তুলনায় ঢের বেড়েছে প্রাপ্ত ভোট। বলাই বাহুল্য, বিজেপির উত্থানের ধাক্কায় আঞ্চলিক দলগুলোর শক্তি ক্রমে হ্রাস পাচ্ছে। এমনকী আগামী ছয় মাসে যেসব রাজ্যে নির্বাচন(তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ) সেখানেও BJP-র জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।
বিরোধীদের ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে (BJP)
কংগ্রেস লোকসভার পর গতি হারিয়েছে। সংগঠন, রাজ্যশাসন এবং প্রতিবাদ—তিন ক্ষেত্রেই ব্যর্থতার চিত্র ধরা পড়েছে। অন্যদিকে, RJD ও NDA- এর বিরোধিতায় শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেনি।
NDA-র ভেতরে BJP-র চাপ বৃদ্ধির আশঙ্কা(BJP)
২০২৪-এর পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েও কেন্দ্রের নীতি বা হিন্দুত্ব কেন্দ্রিক রাজনৈতিক অবস্থানে BJP-র কোনও শিথিলতা হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে,
বিহার জয়ের ফলে NDA-র শরিকদের উপর চাপ আরও বাড়তে পারে। পদ্মশিবির ভবিষ্যতে তাদের কম জায়গা দিতে পারে। পরিস্থিতি হাতে রাখতে প্রয়োজনে ‘একলা চলো নীতি’ গ্রহণ করতে পারে
বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রভাব (BJP)
বিহারের ফলাফল জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে BJP-র আধিপত্যকে আরও পোক্ত করে তুলবে।
দলের অভ্যন্তরে মোদীর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত হবে। প্রশাসন ও সমাজে BJP-র প্রভাব বাড়বে।অন্যদিকে, এই মুহূর্তে নতুন কোনও শক্তিশালী বিকল্পও নেই।
