Narendra Modi
Bengal Liberty: জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ রচনার ১৫০ বছর পূর্তি। ১৮৭৫ সালে এই গান রচনা করেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভূমিতে এই গানই এক সময়ে জাতীয় চেতনার প্রতীক হয়ে উঠেছিল। এবার চর্চায় সেই ‘বন্দে মাতরম’ গান (Vande Mataram)। কিন্তু প্রশ্ন হল দেড়শো বছর পূর্তিতে হঠাৎ আবারও কেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বঙ্কিম রচিত এই জাতীয় গান?
আলোচনায় ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram)
জানা গিয়েছে, আজ, সোমবার লোকসভার অধিবেশনে বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। শীতকালীন অধিবেশনে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ রচনার ১৫০ বছর পূর্তি সংক্রান্ত বিতর্কের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। লোকসভায় এই আলোচনার জন্য সোম ও মঙ্গলবার (৮ ও ৯ ডিসেম্বর) মিলিয়ে মোট ১০ ঘণ্টা সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। এই গান সম্পর্কে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও অনেক না জানা তথ্য সকলের সামনে আনবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এমনটাই খবর সূত্রের। আজ দুপুর ১২টায় সংসদের লোকসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর পর বক্তব্য রাখবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও। কংগ্রেসের তরফে গৌরব গগৈ এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢড়া এই আলোচনায় যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে।
‘বন্দে মাতরম’ তরজা (Vande Mataram)
অপরদিকে, রাজ্যসভাতেও বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তি নিয়ে আলোচনা হবে এদিন। তিন ঘণ্টা বরাদ্দ করা হয়েছে NDA সাংসদদের জন্য। আলোচনায় অংশ নেবে বিরোধীরাও। তৃণমূল-কংগ্রেসের তরফে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আলোচনাকে সমর্থন জানালেও, এই আলোচনার সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। একদিকে যেখানে দেশ জুড়ে SIR আবহ চলছে, তেমনই পশ্চিমবঙ্গে বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। ঠিক সেই মুহুর্তেই কেন বাছাই করা হল কথা সাহিত্যিকের লেখা ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে, সেই প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস।
গত ৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেছিলেন যে বন্দে মাতরম গানের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পংক্তি বাদ দেওয়া হয়েছিল। বিজেপির অভিযোগ, ১৯৩৭ সালে এই গান থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ বাদ দিয়ে দেয় তৎকালীন কংগ্রেস সরকার।
প্রসঙ্গত, ১৮৭০-এর দশকে বন্দে মাতরম লেখেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। সেই সময় স্বাধীনতা সংগ্রামে এই গান সাহস, বীরত্ব ও ঐক্যের গান হয়ে উঠেছিল। এটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গণ্য করার প্রস্তাব দেওয়া হলেও, শেষ পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) লেখা জনগণমন-কে বেছে নেওয়া হয়।
