Odisha's Malkangiri Incident
Bengal Liberty Desk, ৯ ডিসেম্বর, কলকাতা: SIR ঘিরে রাজনীতির পারদ যখন তুঙ্গে সেই আবহেই এবার পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে বাংলার পড়শি রাজ্য ওড়িশায় (Odisha)। ওড়িশার মালাকানাগিরি জেলায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মধ্যে সংঘাত চরম আকার ধারণ করে। প্রথমে এক মহিলা নিখোঁজ হয়ে যান সেখানে। পরে তাঁর মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধার হয়। সেই নিয়ে অশান্তি ছড়াতেই তা পরে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে। বাঙালি অধ্যুষিত একটি গোটা গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে আদিবাসীদের বিরুদ্ধে।
আজ, মঙ্গলবার জেলা কালেক্টর জানিয়েছেন, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে একটি চুক্তির পর পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রয়েছে বর্তমানে। সংঘর্ষের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মোট ১৬৩টি ঘর।
ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা (Ogish CM’s Announcement) (Odisha’s Malkangiri)
মালাকানাগিরির জেলা কালেক্টর জানান, যে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি (Odisha Chief Minister Mohan Charan Manjhi) নিহতের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা অনুদান ঘোষণা করেছেন। নিহতের ছেলে ইতিমধ্যেই ৩০,০০০ টাকা পেয়েছেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন শান্ত। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। তারা আজকের শান্তি কমিটির বৈঠকের জন্য তাদের নিজ নিজ প্রতিনিধিদের নাম ঘোষণা করেছেন। আমরা আশাবাদী যে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে খুব শীঘ্রই। প্রাথমিকভাবে, ১৬৩টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিহতের ছেলেকে ৩০,০০০ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ৪ লক্ষ টাকা অনুদান ঘোষণা করেছেন।’
মঙ্গলবার সকালে ময়না

তদন্তের পর মৃত মহিলার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। সংঘর্ষের পর এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। একটি বৈজ্ঞানিক দল, একটি স্নিফার-ডগ স্কোয়াড এবং ওড়িশা দুর্যোগ দ্রুত মোকাবিলা বাহিনী (ODRAF) ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা নিহতের নিখোঁজ মাথার সন্ধানে ও অন্যান্য সম্ভাব্য প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তদন্ত চালাচ্ছে।
গতকাল, সোমবার ওড়িশার মালকানগিরি জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। নামানো হয় বিরাট বাহিনী। শুধু ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়াই নয়, অনেক গাড়িতেও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে সেই অভিযোগও সামনে এসেছে। সোমবার সন্ধে ৬টা থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য কার্ফু জারি করা হয়েছিল সেখানকার দু’টি গ্রামে। পাঁচজনের বেশি মানুষের জমায়েত একেবারে নিষিদ্ধ করা হয়। রাস্তায় টহল দেয় নিরাপত্তা বাহিনী।
