Bengal Liberty : রাজধানী দিল্লিতে লাগাতার বিক্ষোভ-আন্দোলনের জেরে ব্যবসায়ীদের প্রায় ২,০০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি। ব্যারিকেড ও নানা বিধিনিষেধের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ তুলে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ব্যবসায়ী ও আইনজীবীদের একটি সংগঠন। মঙ্গলবার তাঁদের আবেদনের জরুরি শুনানির অনুমতি দিয়েছে আদালত।
আবেদনকারীদের দাবি, নির্দিষ্ট বিক্ষোভস্থলগুলিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) কার্যকর করতে হবে। তাঁদের বক্তব্য, বিক্ষোভের অধিকার বজায় রেখেই সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা করা জরুরি।
আবেদনকারীদের হয়ে সওয়াল করে প্রবীণ আইনজীবী সচিন পুরী বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিত SOP কার্যকর করাই তাঁদের মূল দাবি। অন্যদিকে, অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা প্রথমে জানান, বিক্ষোভ সংক্রান্ত একাধিক মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। পরে অবশ্য দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার শুনানিতে তিনি আপত্তি জানাননি।
আরও খবর
আবেদনকারীদের হয়ে সওয়াল করে প্রবীণ আইনজীবী সচিন পুরী বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিত SOP কার্যকর করাই তাঁদের মূল দাবি। অন্যদিকে, অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা প্রথমে জানান, বিক্ষোভ সংক্রান্ত একাধিক মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। পরে অবশ্য দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার শুনানিতে তিনি আপত্তি জানাননি।
গত এক সপ্তাহ ধরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন CJP, বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এবং বিরোধী নেতারা। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)-এ অনিয়মের অভিযোগ তুলে এই আন্দোলন চলছে। বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লি পুলিশ কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। যন্তর মন্তরে আন্দোলনের অনুমতি না মেলায় সেখানে জড়ো হওয়া বহু মানুষকে আটকও করা হয়েছে।
পরে যন্তর মন্তরের পরিবর্তে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং সিবিডি ময়দানকে বিকল্প বিক্ষোভস্থল হিসেবে নির্ধারণ করেছে পুলিশ। তবে সেখানে বিক্ষোভ পরিচালনার জন্য বিস্তারিত SOP এখনও জারি করা হয়নি।
এদিকে, ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের উপর হামলার অভিযোগের তদন্ত চেয়ে NSUI সভাপতি বিনোদ ঝাকড়ের করা আবেদনও শুনবে হাইকোর্ট। বিক্ষোভের অনুমতি প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ভারতীয় যুব কংগ্রেসের সভাপতি উদয় ভানু চিবের করা আবেদনটিও শুনানির জন্য উঠবে।


