Bengal Liberty: পুলিশ দরজায় ধাক্কা দিতেই ঘরের ভিতর থেকে উদ্ধার হল সিভিক ভলান্টিয়ারের ঝুলন্ত দেহ। বারাসতের দত্তপুকুর থানার এক সিভিক ভলান্টিয়ারের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। পুলিশ সূত্রে খবর , মৃতের নাম অনির্বাণ বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর থানার নিবাধুই এলাকার বাড়ি থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি সুইসাইড নোট। আর সেই নোটেই একাধিক ব্যক্তির নাম থাকায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অনির্বাণ দত্তাপুকুর থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। তাঁর সঙ্গে এক মহিলা আইনজীবীর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি সেই সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটে। পরিবারের অভিযোগ, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর ওই মহিলা আইনজীবী তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন। এমনকী মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয়ও দেখানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এর জেরে অনির্বাণ মানসিক চাপে ছিলেন বলে দাবি পরিবারের। অন্যদিকে, উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে ওই মহিলা আইনজীবীর পাশাপাশি কয়েকজন সিভিক ভলান্টিয়ারের নামও উল্লেখ রয়েছে বলে জানিয়েছে মৃতের পরিবার।
India Flood Alert:ভারতে বন্যা সতর্কতা জারি| Heavy Rainfall #IndiaFloodAlert #FloodWarning #FloodAlert #IndiaWeather #WeatherUpdate #HeavyRainfall #MonsoonAlert #FloodRisk #IMD #RainAlert #NaturalDisaster #DisasterManagement #WeatherNews https://t.co/0wyHMl2bJq
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) October 30, 2026আরও খবর
মৃতের মা কল্পনা বসুর দাবি, ঘটনার দিন গভীর রাতে দত্তপুকুর থানার পুলিশ এবং কয়েকজন সিভিক ভলান্টিয়ার তাঁদের বাড়িতে যান। বাড়িতে ঢুকে ছেলের খোঁজ করেন তাঁরা। দরজায় ধাক্কাধাক্কির পর ঘরের দরজা খুলতে বলা হয়। এরপর ঘরের দরজা খুলতেই ছেলের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়। পুলিশের বাড়িতে যাওয়ার আগে না পরে অনির্বাণের মৃত্যু হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ছেলের উপর মানসিক চাপ তৈরি করা হচ্ছিল। সুইসাইড নোটে যাঁদের নাম রয়েছে তাঁদের সঙ্গে অনির্বাণের কী ধরনের বিরোধ ছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই মৃত্যুর সঙ্গে তাঁদের ভূমিকা কী, তা সামনে আনার দাবি জানিয়েছে অনির্বাণের পরিবার। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে দত্তপুকুর থানার পুলিশ।


