(ASHA Workers Protest)
Bengal Liberty, Kolkata: আজ, বুধবার সকাল থেকেই রাজ্যের একাধিক জায়গায় অশান্তির ছবি সামনে এসেছে। শহর কলকাতা থেকে শুরু করে জেলা — বিভিন্ন স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিক্ষোভে (ASHA Workers Protest)উত্তাল হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। আশাকর্মীদের(ASHA Workers Protest) শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে ঘিরে যে অতিরিক্ত মাত্রার পুলিশি মোতায়েন করা হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকেই।
শুধু অতিরিক্ত মহিলা পুলিশই নয়, পরিস্থিতি সামলাতে রাস্তায় নেমেছেন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় স্বয়ং। প্রশ্ন উঠছে, কার নির্দেশে এইরকম করা হল? এছাড়াও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নামে আকাশে ওড়ানো হয় ড্রোন। স্বাস্থ্য ভবনের দু’দিকে তৈরি করা হয় লোহার গার্ড ওয়াল, যেন কোনওভাবেই আন্দোলনকারীরা (ASHA Workers Protest) সামনে এগোতে না পারেন। এত কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে সরকার কেন এইরকম ব্যবস্থা নিচ্ছে? কিসের ভয়? পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি থাকা সত্ত্বেও কেন এই বাধা? তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আন্দোলনকারীরা (ASHA Workers Protest)।

আন্দোলনকারীদের ক্ষোভ(ASHA Workers Protest)
আশাকর্মীদের দাবি, (ASHA Workers Protest) তাঁরা কোনও অশান্তি চাননা। তাঁরা শুধু তাঁদের ন্যায্য দাবিগুলি তুলে ধরতে চান। কিন্তু বারবার আটকে দেওয়া, পথ ঘুরিয়ে দেওয়া ও প্রশাসনিক কড়াকড়ি দেখে আন্দোলনকারীদের(ASHA Workers Protest) প্রশ্ন— এই সরকার কি নিজের কর্মীদের দাবিকেই ভয় পাচ্ছে? (Swasthya Bhavan Abhijan)
আশাকর্মীদের(ASHA Workers Protest) মুখে শোনা যাচ্ছে তীব্র সরকার বিরোধী স্লোগান। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানাচ্ছেন, তাঁদের ন্যায্য দাবি মানা না হলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে। এমনকি দাবি পূরণ না হলে সরকার উল্টে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিচ্ছেন তাঁরা (West Bengal ASHA Workers Demand)।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের বক্তব্য(ASHA Workers Protest)
এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আশাকর্মীদের(ASHA Workers Protest) উদ্দেশ্যে জানিয়েছেন, “আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। তবে রাজনৈতিকভাবে কেউ যদি আপনাদের ব্যবহার করতে চায়, সেই ফাঁদে পা দেবেন না। রাজনৈতিক স্বার্থে আপনাদের দিয়ে চাঁদা তোলা হচ্ছে বলেও শুনেছি, যদিও বিষয়টি নিশ্চিত নই।”(Chandrima Bhattacharya Statement)

পরবর্তীতে এই মন্তব্যে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আন্দোলনরত আশাকর্মীরা(ASHA Workers Protest)। তাঁদের পাল্টা বক্তব্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এর জবাব তাঁরা ভোটের মাধ্যমেই দেবেন(Government vs ASHA Workers)।অর্থাৎ তাঁদের এই প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্ট, দাবিপূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সহজে পিছু হটবেন না আশাকর্মীরা(ASHA Workers Protest)।
