Opposition leaders security
Bengal Liberty, Kolkata: রাজ্যের বিরোধী নেতা নেত্রীবৃন্দকে সঠিক ভাবে নিরাপত্তার কড়া নির্দেশ রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের ওপর আরোপ করলো হাইকোর্ট। পূর্বেও একাধিক কর্মূসূচি পালনের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দল নেতা নেত্রীবর্গকে একাধিকবার অশান্তি ও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে। অবশেষে নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে হস্তক্ষেপ করলো কলকাতা হাইকোর্ট(Opposition leaders security)। রাজ্যের বিরোধী দলের বিধায়ক, সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের কর্মসূচিতে যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করার জন্য রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের (Opposition leaders security)
সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, “আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিরোধী নেতাদের সমস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যথাযথ নিরাপত্তা দিতে হবে। কোনও কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির আশঙ্কা থাকলে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।

তৃণমূল সমর্থকদের বাধার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু (Opposition leaders security)
বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে বিরোধী দলের কর্মসূচিতে পরিকল্পিতভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কোথাও মিছিল আটকানো হচ্ছে, কোথাও কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘটছে। এমনকি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কর্মসূচিতেও একাধিকবার বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে গত ২৭ অক্টোবর কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের ব্যর্থতার কথা (Opposition leaders security)
আবেদনে স্পষ্টভাবে দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী , তিনি বলেন পুলিশকে আগাম জানানো সত্ত্বেও বিরোধী দলের কর্মসূচিতে হামলা এড়ানো যাচ্ছে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় এবং তার পরেও এই ধরনের ঘটনা দেখা গিয়েছিল। সে কারণে এই আবেদন করা হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু। সেই মামলাতেই সোমবার পুলিশকে নির্দেশ দিল হাই কোর্ট।
১৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানি (Opposition leaders security)
এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি। তার আগে পর্যন্ত পুলিশকে সতর্ক থাকতে এবং বিরোধী নেতাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের এই নির্দেশ শুধু বিরোধী দলের সুরক্ষার প্রশ্ন নয় এটি রাজ্যের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো রক্ষার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি করা প্রত্যেক দলের সাংবিধানিক অধিকার, আর সেই অধিকার রক্ষা করা প্রশাসনের দায়িত্ব। আদালতের এই হস্তক্ষেপ ফের একবার প্রশ্ন তুলে দিল রাজ্যে আইন কি সত্যিই সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হচ্ছে
