Bengal Liberty: বিজেপি সরকার, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ-এর সাথে যোগসাজশে, এমন একটি মামলা সাজানোর জন্য মরিয়া ও লজ্জাজনক কৌশল অবলম্বন করছে, যার কোনো বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি নেই। প্রমাণ হিসেবে কিছু জিনিস রেখে দেওয়া এবং তথ্য বিকৃত করার ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের অপব্যবহার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করে।
বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বিজেপি সরকার ও রাজ্যের পুলিশের বিরুদ্ধে এমনই মারাত্মক অভিযোগ তুলল মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। এই পোস্টে তারা আরও উল্লেখ করেছে, আমাদের অনুমোদিত প্রতিনিধি মইদুল ইসলাম আগেই পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেখানে উল্লেখ ছিল যে, দুষ্কৃতীকারীরা আমাদের কার্যালয় ভাঙচুর করেছে—যারা পুলিশ এবং বিজেপি প্রশাসনের ছত্রছায়ায় সম্পূর্ণ দায়মুক্তির সুযোগ পেয়েছিল।
সেই এফআইআর-এই আমরা স্পষ্টভাবে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম যে, এই দুষ্কৃতিকারীরাই আমাদের কার্যালয়ের ভেতরে বেআইনি ও অপরাধমূলক বস্তু রেখে দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা সাজানোর চেষ্টা করতে পারে। বর্তমান ঘটনাপ্রবাহ আমাদের সেই আশঙ্কাই সত্য বলে প্রমাণ করছে।
আরও খবর
অন্যদিকে, ২১ মে-র ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। একজন অপরাধীকেও শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। বিষয়টি এখনও বিচারাধীন রয়েছে। মমতা তৃণমূলের আরও অভিযোগ, যখন আমাদের কার্যালয় ভাঙচুর করা হল, তখন পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আর এখন, যখন অভিযোগ উঠছে যে প্রমাণ হিসেবে কিছু জিনিস বাইরে থেকে এনে রাখা হয়ে থাকতে পারে, তখন রাষ্ট্রীয় প্রশাসন আমাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিতে অত্যন্ত তৎপর হয়ে উঠেছে। তারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যে সব পুলিশ কর্মকর্তা এই বেআইনি কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছেন, সহায়তা করেছেন বা সুযোগ করে দিয়েছেন, তাদের প্রত্যেককে আইনি পথে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। তাদের ভূমিকা নথিবদ্ধ করা হবে এবং সমস্ত আইনি কার্যক্রমে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আমরা তাদের প্রত্যেককে শনাক্ত করেছি।
বিজেপি আমাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করতে পারে। আমাদের লক্ষ্যবস্তু বানাতে পুলিশের অপব্যবহার করা হতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক ক্ষমতা বা সাজানো অভিযোগ—কোনো কিছুই আমাদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করতে পারবে না।


