সাবিনা ইয়াসমিন
সাবিনা ইয়াসমিন

ঋতব্রত শিবিরে ভাঙনের জল্পনা! রাজ্য মহিলা সংগঠনের সভানেত্রীর পদ ছাড়লেন সাবিনা ইয়াসমিন

বিপ্লব মিত্রকে রাজ্য সভাপতি হিসাবে সম্বোধন করে ইস্তফাপত্রে সাবিনা ইয়াসমিন লিখেছেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। রাজ্য মহিলা সংগঠনের সভানেত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন তিনি। তবে দল ছাড়ছেন না বলেও জানিয়েছেন। কিন্তু একটি প্রশ্ন উঠছে, ইস্তফাপত্রে কোথাও গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের নাম উল্লেখ করেননি সাবিনা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দলের মহিলা সংগঠনের রাজ্য সভানেত্রীর কাজ করতে হলে আমাকে রাজ্য জুড়ে ছুটে বেড়াতে হবে। এখন আমার শরীর ভাল নেই, পারিবারিক কারণেও ব্যস্ত রয়েছি। চিঠিতে সে সব কথা উল্লেখ করেই আমি অব্যাহতি চেয়েছি।”

সম্প্রতি একটি প্রকাশ্য জনসভা থেকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করেন। সেখানে নেত্রীকে বলতে শোনা যায়, “এখনও যাঁরা ফিরতে চান, তাঁদের আমি বলব, ১৫ দিনের মধ্যে ফিরে আসতে হবে। আর যদি না পারেন, কোনও প্রয়োজন নেই, আমরা আমাদের মতো করে নেব।” এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিনার ঋতব্রত শিবিরের দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়াকে কেন্দ্র করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও পরিষদীয় দলের ডেপুটি লিডার পদে তিনি এখনও রয়েছেন বলেই খবর।

উল্লেখ্য, মোথাবাড়ি-কাণ্ডে এনআইএ-র জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব পেয়েছিলেন সাবিনা। এই মামলার তদন্তে সাবিনার নির্বাচনী এজেন্ট আব্দুল রহমান-সহ একাধিক তৃণমূল নেতা-কর্মীকে তলব করেছিল এনআইএ। পরে তাঁর স্বামী মহম্মদ মেহবুব আলমকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর পরেই সরাসরি সাবিনাকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। যদিও বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার অভিযোগ করেছেন, রাজ্য সরকার হেনস্থা করতেই সাবিনার উপর চাপ সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর পদত্যাগের সিদ্ধান্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে, তা নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ল।

Bengal Liberty