Joint Entrance ফল প্রকাশ এবং মমতা বনাম শুভেন্দুর রাজনৈতিক সংঘাত
Bengal Liberty: ৩ মাসের প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রকাশিত হ’ল জয়েন্ট এন্ট্রান্সের (Joint Entrance) ফল। ওবিসি সংক্রান্ত জট কাটিয়ে ফল প্রকাশ নিয়ে ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজ মাধ্যমে তাঁর মত পোষণ করেছেন। আবার সমাজ মাধ্যমেই তার পাল্টা বক্তব্য রেখেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
প্রথমে Bengal Liberty (Joint Entrance) শীর্ষ স্থানাধিকারীদের নাম উল্লেখ করছে
প্রথম হয়েছেন অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী। ইতিমধ্যেই তিনি আইআইটি খড়্গপুরে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়াশোনা শুরু করেছেন।
দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানাধিকারীরা জয়েন্টের ফল ঘোষণার আগেই রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ফলে তাঁদের সাফল্য রাজ্যে কোনও বাস্তবিক প্রভাব ফেলছে না।
প্রকাশিত ফল নিয়ে রাজ্যের শিক্ষাজগতে উৎসাহ তৈরি হলেও, শীর্ষ স্থানাধিকারীদের রাজ্যের বাইরে চলে যাওয়া আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আকর্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
Joint Entrance নিয়ে মমতা বনাম শুভেন্দু
জয়েন্টের ফলাফল প্রকাশের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুকে লিখছেন― ‘‘রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল ছাত্রছাত্রীকে জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তোমাদের অভিভাবক ও শিক্ষকদেরও জানাই আমার অভিনন্দন। যারা কোনও কারণে ভালো ফল করতে পারোনি, তাদের মন খারাপ না করে ভবিষ্যতে যাতে ভালো হয় তার প্রস্তুতি নিতে বলব। আইনি জটিলতায় ফলপ্রকাশে অন্যান্যবারের তুলনায় এবার একটু দেরী হল। কিন্তু আমি বিশ্বাস রাখি, সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করে আগামীর দিনগুলিতে তোমরা আরো সফল হবে এবং বাংলার মুখ উজ্জ্বল করবে।’’

মামতার এই পোস্টের পাল্টা শুভেন্দু অধিকারী লিখছেন―
‘‘যে কথাগুলো মাননীয়া বলতে পারলেন না―
১) আমার ভোট ব্যাংককে তোষণ করার উদ্দেশ্যে যে আইনি জটিলতা সৃষ্টি করতে বাধ্য হয়েছিলাম, তার কারণেই ফলপ্রকাশে অন্যান্যবারের তুলনায় এবার একটু দেরী হল।
২) তোমাদের অভিভাবকদের রক্ত চাপ বাড়ানোর দায় আমার, কারণ আমার ভোট ব্যাংককে তুষ্ট করার জন্য তাদের ওবিসি তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া বেশি জরুরি ছিল। তোমাদের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে কলেজে ভর্তি করানো আমার খেয়াল খুশি মতো পরে হলেও অসুবিধা কোথায়?
৩) সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করে আগামী দিনে তোমরা যদি সফল হয়ে পশ্চিমবঙ্গে সরকারি চাকরি পাও, তাহলে ডিএ পাবে নাম মাত্র। আর যে-কোনও দিন চাকরি চলে যেতে পারে। তার জন্য মানসিক প্রস্তুতি রেখো। কারণ, আমার দলের নেতারা টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দুর্নীতি ঘটাবেই, এটাই এখন বাস্তব।’’
