India is with BNP
দিয়া জানা, Bengal Liberty (Exclusive): খালেদা জিয়ার প্রয়াণের পর মোদির এক্স-পোস্ট চাক্ষুষ করে কিছুটা অবাক হলাম। ২০১৫ সালে দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় গিয়ে খালেদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। কিন্তু, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নতির ক্ষেত্রে আদৌ কি বেগম খালেদা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সক্রিয় ছিলেন? আমার ঠিক মনে পড়ছে না। সে যাই হোক, এক্স-পোস্টে মোদি লিখছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বকালে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উন্নতিতে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন! (India is with BNP)
‘হুইসেলব্লো সোর্স’ মারফৎ খবর এলো, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাই’কে নেমেছে ভারত সরকার। যেভাবেই হোক, আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে ইউনূস এবং জামাতদের নির্মূল করতে হবে। সেই সূত্রে, ভারতের পররাষ্ট্র দফতরের নতুন কৌশল, বিএনপি-কে সমর্থন দাও। আরও শক্তিশালী করো। আওয়ামী লীগ এই মুহূর্তে বাংলাদেশে সেই অর্থে রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারবে না। অর্থাৎ, বিকল্প একমাত্র বিএনপি। ইতিমধ্যে, তারেক রহমান ফিরে এসেছেন। এমন টালমাটাল পরিস্থিতিতে ‘শত্রুর শত্রু, আমার বন্ধু’ তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে ভারত এই মুহূর্তে বিএনপিকে সমর্থন জানাচ্ছে।
যে সমস্ত বিজেপি এবং এনডিএ নেতার প্রভাব বাংলাদেশে আছে, তাঁদের ম্যাসেজ দেওয়া হয়েছে, ‘সাপোর্ট বিএনপি।’
সম্ভবত, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন হতে পারে। সেখানে, ভারত সরকারের এই কৌশল ইউনূসের ওপর যে বাড়তি চাপ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
খালেদার জানাজায় জয়শঙ্কর (India is with BNP)
গত মঙ্গলবার ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, বেগম খালেদার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। অর্থাৎ, এখানে কৌশলে বিএনপিকে ভারত বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘পাশে আছি।’

আমরা জানি, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারত সবসময় মুজিবপন্থী। সেই সূত্রে, কংগ্রেস হোক বা বিজেপি, কেন্দ্রীয় সরকারের পছন্দের তালিকায় সবসময় শীর্ষে অবস্থান করতে দেখা গিয়েছে শেখ হাসিনাকে। কারণ, এখানে প্রতিনিয়ত ’৭১-এর একটা আবেগ কাজ করেছে। আজ মোদি শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দিয়েছেন। তাতে গোঁসা ইউনূসের। এবার, খালেদা জিয়া এবং বিএনপিকে নিয়ে ভারত সরকারের এই আবেগ স্পট করল, ইউনূস, জামাতের জমানার অবসান হতে চলেছে।
