Suvendu on Vote Bank
Bengal Liberty: উত্তর কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত সড়ক বিটি রোডে (BT Road) রাতের ব্যস্ত সময়ে একাংশের যান চলাচল বন্ধ রেখে চলছে নামাজ পাঠ। বিষয়টি সামনে আনেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে রাজ্যের শাসক দলকে একহাত নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একাধিক গুরুত্বপূর্ন বিষয় উত্থাপন করে রাজ্যের শাসক দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu on Vote Bank) ।
বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ (Suvendu on Vote Bank)
বিরোধী দলনেতার দাবি, বুধবার রাত ৯ টা ৩০ নাগাদ রেকর্ড হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ব্যস্ত বিটি রোডের একদিকের রাস্তা বন্ধ করে নামাজ পড়া হচ্ছে। এর ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। পশ্চিমবঙ্গের ভোট-রাজনীতিতে মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক (Muslim vote bank) বহুদিন ধরেই রাজনীতির অন্যতম ফ্যাক্টর। খাতায়-কলমে ‘সংখ্যালঘু’ (Minority) হলেও, বাস্তবে এই ভোটই একাধিক নির্বাচনের (Election) ফল ঘুরিয়ে দিয়েছে। সেই বিষয়কে সামনে রেখেই শুভেন্দুর অভিযোগ, “৩৩ শতাংশ ভোটব্যাঙ্ককে তুষ্ট করতেই এই ব্যবস্থা। প্রশাসন কার্যত রাস্তা দখলের অনুমতি দিয়েছে।”
উত্তর কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম রাস্তা হল বিটি রোড। এই ভিডিওটা আজকে রাত্রি সাড়ে নয়টার সময় রেকর্ড করা হয়েছে। এই ব্যস্ত রাস্তার ট্রাফিক একটা দিক থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। কারণ কি না ৩৩ শতাংশের ভোট ব্যাঙ্ক কে তুষ্ট করতে হবে তাই… pic.twitter.com/ERLXtNU5t6
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) February 18, 2026

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন (Suvendu on Vote Bank)
বিরোধী দলনেতা আরও দাবি করেন, বর্তমানে রাজ্যে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে। এই পরিস্থিতিতে রাস্তা বন্ধ করে মাইক বাজানোয় পরীক্ষার্থীদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসন সাধারণ মানুষের অসুবিধার কথা ভাবছে না, বরং একপাক্ষিক তোষণনীতির পথে হাঁটছে।
শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে তোষণের অভিযোগ তোলেন। তাঁর কটাক্ষ, “মাননীয়ার তোষণের ফলে রাজ্যবাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত।” পাশাপাশি তিনি রাজ্য পুলিশের ভূমিকাতেও প্রশ্ন তোলেন, দাবি করেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল চাপানউতোর। এই ঘটনা ফের একবার রাজ্যে ধর্মীয় কার্যকলাপ ও ভোটব্যাঙ্ক হিসাব নিয়ে জল্পনা উসকে দিল।
