Balochistan independence
Bengal Liberty Desk:
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝেই (Balochistan independence) আফগানিস্তানকে সমর্থন করল বালোচিস্তান। পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ বালোচিস্তানে বিদ্রোহের আগুন এখনও গনগনে। দমনপীড়ন চালিয়েও বালোচ বিদ্রোহীদের এখনও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি ইসলামাবাদ। তার মাঝে বিশিষ্ট বেলুচ নেতা ও মানবাধিকার কর্মী মীর ইয়ার বালুচ (Mir Yar Baloch) দাবি করেছেন (Mir Yar Baloch statement), পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের আগ্রাসী নীতি এবং আফগানিস্তানকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে কাবুল ভবিষ্যতে বালোচিস্তানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে আশা প্রকাশ করেছেন (Kabul recognition Balochistan)।

পাকিস্তান-আফগানিস্তান উত্তেজনার মাঝে আফগানিস্তানের পাশে বালোচিস্তান Balochistan independence
বেলুচ নেতার দাবি, স্বাধীনতার প্রশ্নে কাবুলের সমর্থন বাড়তে পারে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বালোচিস্তান ইস্যু আবারও নতুন করে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বিশিষ্ট বেলুচ নেতা ও মানবাধিকার কর্মী মীর ইয়ার বেলুচ দাবি করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ রয়েছে। তাঁর মতে, পরিস্থিতি যদি আরও জটিল হয়, তাহলে কাবুল ভবিষ্যতে বালোচিস্তানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।
.
Pakistan has attacked Afghanistan without any reason, but when the Afghans retaliate they get asked what kind of Muslims they are to attack other Muslims in the month of Ramadan. They don’t remember what they did on the fifth day of Ramadan, February 22nd, 2026: they attacked…
— Hyrbyair Marri (@hyrbyair_marri) February 27, 2026
এক্স পোস্ট বেলুচ নেতার Balochistan independence
বেলুচ নেতা ও মানবাধিকার কর্মী মীর ইয়ার বালুচ আজ, শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা এক বক্তব্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, “ইসলামাবাদের নীতির লক্ষ্য ছিল কাবুলকে দুর্বল করা এবং আঞ্চলিক স্বার্থ রক্ষা করা।” পোস্টে তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরে আফগান ও বেলুচ জনগণকে অবজ্ঞার চোখে দেখেছে। তাঁর কথায়, “বেলুচিস্তান ও আফগানিস্তানের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো, যা আধুনিক পাকিস্তান রাষ্ট্রের আগের।” বর্তমান আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, কাবুল আর এই ধরনের আগ্রাসন মেনে নেবে না।
তাঁর মতে, “আন্তর্জাতিক মহলের সামনে ইসলামাবাদকে সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরার সময় এসেছে।” একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, “কাবুল যদি বেলুচিস্তানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে পাকিস্তানের বর্তমান কাঠামো বড় ধাক্কা খেতে পারে।”
রমজানের মধ্যে হামলার অভিযোগ, আফগানিস্তানের পাশে থাকার বার্তা Balochistan independence
এদিকে বেলুচ নেতা হাইরবাইয়ার মারি(Hyrbyair Marri) সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে অভিযোগ করেছেন (Hyrbyair Marri post), রমজান মাসের মধ্যেই পাকিস্তান প্রথমে আফগানিস্তানের উপর হামলা চালায়। তিনি বলেন, “রমজানের পঞ্চম দিন, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এই প্রথম হামলা চালায় পাকিস্তান, লক্ষ্য ছিল আফগানিস্তান।” তাঁর বক্তব্য, আফগানদের পাল্টা প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলেও মূল ঘটনার দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি বেলুচ জনগণের উপর দীর্ঘদিন ধরে দমন-পীড়নের অভিযোগও তিনি তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, “আফগানিস্তান একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, তারা যে কোনও দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে পারে।”
পোস্টে তিনি পাকিস্তানের কিছু আলেম ও রাজনীতিবিদের বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন এবং বলেন, “ইতিহাস ভুলে গিয়ে আজ অন্যদের ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।” শেষে তিনি উল্লেখ করেন, “বেলুচ জনগণ আফগানিস্তানের পাশে রয়েছে এবং পাকিস্তানের সামরিক আগ্রাসনের নিন্দা জানায়।”
