Jagannath Temple Digha Prasad Distribution
Bengal Libety, ১১ মার্চ :
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়তেই তার সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের হেঁসেলে (Jagannath Temple Digha Prasad Distribution)। এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহে অনিশ্চয়তা সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আঘাত হানছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতেও। পর্যটন কেন্দ্র দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্তের জন্য যে প্রসাদ রান্না হত, সেখানে এখন দেখা দিয়েছে জ্বালানির টানাপোড়েন। গ্যাস সিলিন্ডার না পাওয়ায় ভোগ রান্না কমাতে বাধ্য হয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ, যা ভক্তদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি করেছে (Jagannath Temple Digha Prasad Distribution)।

গ্যাসের টানাপোড়েনে কমল প্রসাদ বিতরণ (Jagannath Temple Digha Prasad Distribution)
সম্প্রতি দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে ভক্তদের জন্য ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনারের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। কুপন কেটে ভোগ খাওয়ার সুযোগ পেতেন ভক্তরা। প্রতিদিন তিন বেলা মিলিয়ে প্রায় তিন হাজার মানুষের জন্য রান্না করা হত প্রসাদী খাবার।
এই বিপুল রান্নার জন্য প্রতিদিন প্রায় ১০টি করে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার প্রয়োজন হতো। মন্দিরে সাধারণত ২০ থেকে ২৫টি সিলিন্ডার মজুত রাখা থাকলেও বর্তমানে গ্যাস সরবরাহে সমস্যার কারণে সেই মজুতও দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ফলে বাধ্য হয়েই মন্দির কর্তৃপক্ষ প্রসাদ বিতরণ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।মঙ্গলবার থেকে প্রতিদিন ৩ হাজার মানুষের খাবারের বদলে মাত্র প্রায় ৭৫০ মানুষের জন্য প্রসাদ রান্না করা হচ্ছে। ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনারের ব্যবস্থা থাকলেও খাবারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গ্যাসের বিকল্পে কাঠ ও ঘুটের আশ্রয় (Jagannath Temple Digha Prasad Distribution)
গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিকল্প জ্বালানির পথ খুঁজতে শুরু করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। ইসকনের তরফে জানানো হয়েছে, জগন্নাথ দেবের নিত্য ভোগ রান্না বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়ে এবার কাঠ বা ঘুটে ব্যবহার করে রান্নার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইভাবেই ভোগ রান্না চালিয়ে যেতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
C.V. Ananda Bose: মুখ্য়মন্ত্রীর ভোলবদল! | Mamata Banerjee | Bengal Liberty@MamataOfficial #CVAnandaBose #MamataBanerjee #Governor #WBGovernor #BengalLiberty pic.twitter.com/LEph9s21r2
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) March 11, 2026
জ্বালানির এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু মন্দির নয়, পর্যটন নির্ভর দিঘার হোটেল-রেস্তোরাঁ শিল্পেও এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
