TMC protest in Assembly
Bengal Liberty, ২০ মে :
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই বিজেপি সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিরোধী শিবির (TMC protest in Assembly)। ‘বুলডোজার নীতি’, হকার উচ্ছেদ অভিযান এবং ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগে বুধবার বিধানসভা চত্বরে বিক্ষোভে সামিল হল তৃণমূল কংগ্রেস। বাবাসাহেব আম্বেদকরের মূর্তির পাদদেশে আয়োজিত এই ধরনা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দলের একাধিক বিধায়ক ও শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে প্রতিবাদ কর্মসূচির মাঝেই কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে (TMC protest in Assembly)।

‘বুলডোজার নীতি’ নিয়ে বিজেপিকে তোপ তৃণমূলের (TMC protest in Assembly)
তৃণমূলের অভিযোগ, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি, দোকান ও জীবিকার উপর ধারাবাহিকভাবে চাপ সৃষ্টি করছে বিজেপি সরকার। বিশেষ করে হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে ‘বুলডোজার নীতি’ প্রয়োগের অভিযোগ তুলে শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করে বিরোধীরা। তাঁদের দাবি, কোনও বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই গরিব মানুষের রুজি-রুটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এদিন বিধানসভার ভিতর থেকে বাইরে, সর্বত্রই বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন তৃণমূল বিধায়করা। তাঁদের বক্তব্য, এই ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপ গণতন্ত্র ও মানবিকতার পরিপন্থী।

চারটি ইস্যুতে সরব বিরোধী শিবির (TMC protest in Assembly)
এদিনের ধরনা কর্মসূচিতে মূলত চারটি ইস্যুকে সামনে আনে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের নিরাপত্তা ও দ্রুত আইনি পদক্ষেপ, সব ধর্মের মানুষের স্বাধীনভাবে ধর্মপালনের অধিকার রক্ষা, পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ বন্ধ করা এবং পেট্রল-ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, এই চার দাবিতেই সরব হন বিক্ষোভকারীরা। বিরোধী বিধায়কদের দাবি, বাংলার মাটিতে সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার রাজনীতি চলতে পারে না। তবে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই কর্মসূচিতে দলের কয়েকজন পরিচিত মুখের অনুপস্থিতি ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবিরের একাংশের মতে, তৃণমূলের অন্দরে মতভেদ ও অস্বস্তির ইঙ্গিতই মিলছে এই ঘটনায়।
