Bengal Liberty
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামার(Russia Ukraine War) কোনও লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আরও রক্তাক্ত হয়ে উঠছে যুদ্ধক্ষেত্র।শুক্রবার গভীর রাতে ইউক্রেনের একাধিক অঞ্চলে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ।অন্যদিকে হামলার জবাব দিতে রাশিয়ার বিভিন্ন এলাকাকে লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠিয়েছে ইউক্রেন। ফলে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিয়েছে।

একাধিক শহরে ভয়াবহ হামলা(Russia Ukraine War)
ইউক্রেনের প্রশাসনের দাবি, রাশিয়ার হামলায় আবাসিক এলাকা, বাণিজ্যিক ভবন এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া মানুষদের বের করার কাজ চালাচ্ছে। এখনও অনেকের নিখোঁজ থাকার আশঙ্কা রয়েছে।মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, হামলার পর বহু জায়গায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। জরুরি পরিষেবার কর্মীরা রাতভর উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চালিয়েছেন।

পাল্টা জবাব কিয়েভের(Russia Ukraine War)
রাশিয়ার হামলার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাল্টা ড্রোন আক্রমণ চালায় ইউক্রেন। মস্কো-সহ রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে বিমান চলাচলও বন্ধ রাখা হয়। রাশিয়ার দাবি, অধিকাংশ ড্রোন প্রতিহত করা সম্ভব হলেও কিছু এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
আরও খবর
যুদ্ধ থামার আশা ক্ষীণ(Russia Ukraine War)
গত আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধের অবসান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বারবার আলোচনা হলেও বাস্তবে সংঘর্ষ কমার কোনও ইঙ্গিত নেই।বরং সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে দুই পক্ষই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধক্ষেত্রে চাপ বাড়ানোর কৌশলেই একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এবং পরিকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতিও ক্রমশ বাড়ছে।
উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে(Russia Ukraine War)
নতুন করে এই হামলার পর ফের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মহল। যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ করে কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত দুই পক্ষের অবস্থানে কোনও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মেলেনি। ফলে ইউক্রেন যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কাই জোরালো হচ্ছে।



