Jaleswar yard
Bengal Liberty
বেঙ্গল লিবার্টির খবরে সিলমোহর (Jaleswar Local)। জলেশ্বর ইয়ার্ডে নন-ইন্টারলকিং কাজের জেরে বাতিল হওয়া লোকাল ট্রেন পরিষেবা নিয়ে যাত্রীদের দুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছিল। বিষয় এসোসিয়েশনের তদারকি এবং বেঙ্গল লিবার্টির খবরে প্রকাশিত হয়। এরপরেই নড়েচড়ে বসে রেল কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এবার হাওড়া থেকে বেলদা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন পরিষেবা আংশিকভাবে পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

হাওড়া থেকে বেলদা পর্যন্ত ফের চালু লোকাল Jaleswar Local
রেল সূত্রে খবর, ২৬ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৮০০৭ হাওড়া–জলেশ্বর MEMU ট্রেনটি জলেশ্বরের পরিবর্তে বেলদায় যাত্রা শেষ করবে। একইভাবে ২৭ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৮০০২ জলেশ্বর–হাওড়া MEMU ট্রেনটি জলেশ্বরের পরিবর্তে বেলদা থেকেই যাত্রা শুরু করবে। তবে NI কাজের কারণে ৬৮০৪৭ খড়্গপুর–বেলদা MEMU ২৬ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর এবং ৬৮০৪৮ বেলদা–খড়্গপুর MEMU ২৭ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাতিল থাকবে।

আংশিক স্বাভাবিক ট্রেন পরিষেবা
তবে জলেশ্বর পর্যন্ত ট্রেন পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও বেলদা পর্যন্ত লোকাল চালু হওয়ায় যাত্রীদের জন্য বিকল্প যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হল। যাত্রীদের একাংশের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের পর সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার পর রেলের দৃষ্টিগোচর হয়। বিষয়টি সামনে আসায় রেলের তরফে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে যাত্রার পূর্বে যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট ট্রেনের সর্বশেষ সময়সূচি যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে রেলের তরফ থেকে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন যাবৎ দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুর ডিভিশনের জলেশ্বর স্টেশনে একাধিক ট্রেন বাতিল হওয়ায় চরম ভোগান্তির স্বীকার হয়েছিলেন নিত্যযাত্রীরা। প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন ‘বেলদা রেলযাত্রী ও নাগরিক কল্যাণ সমিতি’। রবিবার সংগঠনের প্রতিনিধিরা বেলদা স্টেশনে গিয়ে স্টেশন ম্যানেজারের হাতে স্মারকলিপি দেন। পাশাপাশি, দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে প্যাসেঞ্জারস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও খড়্গপুরের DRM-কে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে।

তাঁদের দাবি, জলেশ্বর স্টেশনে কাজ চললেও ট্রেন সম্পূর্ণ বাতিল না করে বেলদা থেকে সংক্ষিপ্ত রুটে ট্রেন চালানো হোক। এতে রেলের কাজও চলবে, আবার যাত্রীদের যোগাযোগও বজায় থাকবে। স্মারকলিপি দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন সভাপতি প্রদীপ দাস, সম্পাদক রামলাল রাঠি-সহ সংগঠনের সদস্যরা। Bengal Liberty এর পক্ষ থেকে সেই দুর্দশা প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল। এরপরেই বিষয়টি নিয়ে তৎপরতা দেখাল রেল কর্তৃপক্ষ।

