Bengali Volunteer at FIFA World Cup
Bengal Liberty, ২৮ মে ২০২৬: আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের জ্বরে কাবু গোটা বিশ্ব। তাবড়-তাবড় খেলোয়াড়দের পায়ের ভেলকির জাদুতে স্তম্ভিত হতে অপেক্ষায় আট থেকে আশি (Bengali Volunteer at FIFA World Cup)। এখনও অবধি সব দিক দিয়েই এবারের বিশ্বকাপের উন্মাদনা অন্য জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। দল, ভেন্যু, সূচিপত্র— সব কিছুই তৈরি। শুধু বাজবে রেফারির বাঁশি আর শুরু হবে বিশ্বকাপের খেলা।
বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচে থাকবে গ্যালারি ভর্তি সমর্থক। অন্যরকম রঙে সাজবে এবারের মেগা ইভেন্ট। এরই মাঝে এক বাঙালি তরুণের স্বপ্ন হচ্ছে সত্যি। চুঁচুড়ার স্নেহাংশু দত্ত ছোট থেকেই ফুটবল বলতে পাগল। এবার তাঁর হাতেই থাকছে গুরুদায়িত্ব।
ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। নিছক ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে এই জায়গায় পৌঁছে দেবে, ভাবেননি স্নেহাংশু।

কি ভাবে স্বপ্ন পূরণ (Bengali Volunteer at FIFA World Cup)
১০ লাখ আবেদনকারীর মধ্যে থেকে চুঁচুড়ার বাঙালি তরুণকে বেছে নিয়েছে ফিফা। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি।
স্নেহাংশুকে প্রথম ফোন করা হলে তখনও ঘুম থেকে ওঠেননি তিনি। ডালাসের আকাশে তখনও ভালো করে আলো ফোটেনি। মিনিট ২০ পর নিজেই ফোন করেন। এক বছর আগেও রাজারহাটে অফিসে কাজ করতেন। আর পাঁচজন চাকুরিজীবী বাঙালির মতোই চলত জীবন। অফিসই তাঁকে কাজের জন্য পাঠায় আমেরিকায়। স্ত্রী দীপান্বিতা দত্তকে নিয়ে গত এক বছর ধরে ডালাসের বাসিন্দা স্নেহাংশু। ভারত বিশ্বকাপে না থাকলেও ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করতে তৈরি এক বঙ্গসন্তান।
West Bengal News: হাফ প্যান্টে কাঁচরাপাড়ার ত্রাস বনি!@MamataOfficial @abhishekaitc @AITCofficial @SuvenduWB @BJP4Bengal @bengalliberty1 #westbengal2026 #suvendu #suvenduadhikaribengalcm #mamatabanerjee #abhishekbanerjee #tmcwestbengal #kanchrapara #bengalliberty pic.twitter.com/9tgBfONF2S
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) May 28, 2026

স্নেহাংশুর প্রতিক্রিয়া (Bengali Volunteer at FIFA World Cup)
” গত অক্টোবরে বিজ্ঞাপন দেখে অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। রেকর্ড প্রায় ১০ লাখ মানুষ আবেদন করেছিলেন। ২২৬টি দেশের মানুষ আবেদনকারী ছিলেন। তাঁদের বয়স ছিল ১৮ থেকে ৯২। একটি অনলাইন পরীক্ষা হয়েছিল। সেটার রেজাল্ট বেরোতে চার মাস লেগেছিল। ওই সময় একটু টেনশন হত। মাঝেমাঝেই সাইট খুলে আমার নাম খুঁজতাম। সেখান থেকে ৬০ হাজার জনকে মুখোমুখি সাক্ষাৎকারের জন্য বেছে নেওয়া হয়। সেই তালিকায় আমার নামও ছিল। ফিফা এই নির্বাচন কী ভাবে করেছিল, সেটা জানি না।

তার পরে খুব সাধারণ কিছু বিষয় জানতে চাওয়া হয়েছিল। যেমন, কেন বিশ্বকাপের স্বেচ্ছাসেবক হতে চাই, ফুটবল সম্পর্কে ধারণা, আমাদের দেশের ফুটবল সম্পর্কে মতামত। পেশাগত দক্ষতা, কী কী ভাষা জানি— এ রকম কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিল। দেখা হয়েছিল, দলের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করতে পারি কি না। আমি যেমন বলেছিলাম, ইংরেজি ছাড়া বাংলা আর হিন্দি জানি। তার পর প্রায় ছ’হাজার জনকে নির্বাচন করা হয়েছে “।
অনেক দিক দিয়েই এবারের বিশ্বকাপ সত্যিই এক ঐতিহাসিক বিশ্বকাপের দিকে এগোচ্ছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। স্নেহাংশুর স্বপ্নপূরণের সঙ্গে আরও অনেকের স্বপ্ন যেন পূরণ হয়।

