Chandranath
Bengal Liberty, 29 মে:
বিধানসভায় বিধায়কদের সই নিয়ে তৈরি হওয়া রহস্য এবার আরও ঘনীভূত হলো (TMC MLA Signature)। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাবে তৃণমূল বিধায়কদের সই জালিয়াতির অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনার তদন্তে বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার সকালেও সক্রিয় সিআইডি। এবার বোলপুরের তৃণমূল বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতে হানা দিলেন তদন্তকারীরা।

তদন্তে ‘হ্যান্ডরাইটিং এক্সপার্ট’ TMC MLA Signature
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার জন্য তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি প্রস্তাব জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। কিন্তু সেই নথিতে বেশ কয়েকজন বিধায়কের সই দেখে সন্দেহ হয় বিধানসভার আধিকারিকদের। সইয়ে অসঙ্গতি থাকায় বিধানসভার সচিব হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর পরেই তদন্তের ভার নেয় সিআইডি। সই আসল না নকল, তা যাচাই করতে তদন্তকারীদের সঙ্গে থাকছেন হস্তলিপি বিশেষজ্ঞ বা হ্যান্ডরাইটিং এক্সপার্ট।

বিধায়কদের বাড়িতে সিআইডি-র দৌড়ঝাঁপ
শুক্রবার সকালে বোলপুরের বিধায়কের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সইয়ের নমুনা সংগ্রহ করেন সিআইডি আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখা হয় বেশ কিছু নথিও। বৃহস্পতিবার চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। নয়না দেবীর দাবি, সই করার জায়গা না থাকায় তিনি সই করতে পারেননি, তবে তিনি ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সবথেকে বিস্ফোরক দাবি করেছেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলাম। তাঁকে দেখানো সইটি তিনি করেননি বলে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, ওই দিন তিনি বাড়িতেই ছিলেন। তদন্তকারীরা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন।

বিধানসভার রেকর্ড রুমে থাকা বিধায়কদের পুরনো সইয়ের সঙ্গে নতুন প্রস্তাবের সই মিলছে না— এমনটাই অভিযোগ উঠেছে সচিবালয় থেকে। যদি কোনো বিধায়কের অনুপস্থিতিতে অন্য কেউ তাঁর সই করে থাকেন, তবে তা বড়সড় আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে।

