Mamata vs Suvendu
Bengal Liberty:
প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও তারাতলার দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ থেমে নেই (Taratala news)। প্রবল ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে সর্বশক্তি নিয়োগ করা হয়েছে।
প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ধরে ঘটনাস্থলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (SDRF), ভারতীয় সেনাবাহিনী, কলকাতা পুলিশ, দমকল বাহিনী এবং কলকাতা পুরসভা (KMC)-র কর্মীরা। ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত কারও সন্ধান মিলতে পারে কি না, সেই আশায় অত্যাধুনিক Victim Location Detector-সহ বিভিন্ন উদ্ধার সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে।

টানা বৃষ্টিতেও থামেনি উদ্ধার কাজ Taratala news
গত ২৪ ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হলেও তারাতলার উদ্ধারকাজে তার কোনও প্রভাব পড়তে দেওয়া হয়নি। অক্সি-কাটার, ক্রেন ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতির সাহায্যে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও উদ্ধারকারী বাহিনীর সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

রাজ্যে অতীতে ঘটে যাওয়া বড় দুর্ঘটনাগুলির সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, গার্ডেনরিচের নির্মীয়মাণ বহুতল ধসের (২০২৪) ঘটনায় প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজ শুরু করেছিলেন। পরে দমকল ও SDRF ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আবার পোস্তা উড়ালপুল বিপর্যয়ের সময় কলকাতা পুলিশ, দমকল ও রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর পাশাপাশি পরে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও NDRF উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয়। তবে তারাতলার ঘটনায় শুরু থেকেই সমস্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও কতজন আটকে রয়েছেন, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। সেই কারণে উদ্ধারকারী বাহিনীর তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। মৃতের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। তবে প্রশাসনের দাবি, যতক্ষণ না পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে প্রত্যেক সম্ভাব্য স্থানে তল্লাশি শেষ হচ্ছে, ততক্ষণ উদ্ধার অভিযান চলবে এবং এই কাজে কোনওরকম খামতি রাখা হবে না।


