Buenos Aires Protests
Bengal Liberty
ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে(Buenos Aires Protests) দুর্দান্ত ফর্মে থাকা অপরাজিত আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর পুনরায় বিশ্বকাপ জয় করল স্পেন। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোলের দৌলতে বিশ্বসেরার মুকুট মাথায় তুলল তরুণ তুর্কি ‘লা রোজা’রা। ম্যাচের শুরু থেকেই লামিনে ইয়ামালদের দাপটের সামনে অনেকটাই ব্যাকফুটে ছিল মেসিদের আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেন্দ্র করে তুমুল অশান্তি ম্যাচ শেষ হতেই আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আইরেসে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে, আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর থেকেই সেখানকার পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকে।


শুরু হয় নির্বিচারে পাথর বৃষ্টি এবং হকি স্টিক দিয়ে ভাঙচুর। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালে তাদের লক্ষ্য করেও শুরু হয় লাগাতার পাথর বৃষ্টি। প্রায় ঘণ্টাখানেক এই তাণ্ডব চলার পর অবশেষে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আসে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় কয়েকজন অভিযুক্তকে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পরেই দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের বিবৃতি(Buenos Aires Protests)
পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, “শান্তিপূর্ণভাবেই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার চলছিল। কিন্তু স্পেন আর্জেন্টিনাকে হারানোর পরপরই একদল দুষ্কৃতী পাথরবাজি শুরু করে এবং হকি স্টিক নিয়ে জনসাধারণের ওপর হামলা চালায়। স্থানীয় এক ব্যক্তি পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সৌভাগ্যবশত কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, তবে কয়েকজন আহত হয়েছেন। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে, এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা কখনোই বরদাস্ত করা হবে না।”
খেলায় হিংসার পুনরাবৃত্তি(Buenos Aires Protests)
তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগেও ফুটবলকে কেন্দ্র করে একাধিক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল কিংবা ফ্রান্স বনাম নরওয়ের ম্যাচ—প্রিয় দল হেরে গেলেই উত্তেজিত জনতার সুযোগ নিয়ে একদল সমাজবিরোধী এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। খেলার মূল উদ্দেশ্য মানুষকে একজোট করা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করা। কিন্তু এ জাতীয় ঘটনার ফলে ক্রীড়াজগতে বারবার নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে। খেলায় হার-জিত থাকবেই, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না পেলেই হিংসার পথ বেছে নেওয়ার এই প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।


