Bengal Liberty:
শনিবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ‘গুন্ডা দমন বিল’ নিয়ে আলোচনাকালে অধিবেশন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আলোচনায় অংশ নিয়ে কালীঘাটের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গত ১৫ বছরে রাজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃণমূল সরকারের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরতে শুরু করেন।

Assembly
বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, দিল্লিতে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী দেশের সবচেয়ে নিরাপদ শহর কলকাতা। পাশাপাশি, দেশের সেরা তিনটি থানার মধ্যে স্থান পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শ্রীরামপুর থানা। এছাড়া, ধান উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে প্রথম এবং মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এই সমস্ত সাফল্য এসেছে তৃণমূল সরকারের আমলেই।
মূল আলোচনায় ফেরার নির্দেশ স্পিকারের Assembly

শোভনদেবের বক্তব্য চলাকালীনই তীব্র আপত্তি জানাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। তাঁদের অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন দুর্নীতির প্রসঙ্গ এড়িয়ে সরকার নিজেদের সাফল্যের প্রচার করছে। সেই সঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি দমনে বর্তমান সরকার কতটা ব্যর্থ, সে কথাও মনে করিয়ে দেন বিজেপি বিধায়করা। একপর্যায়ে তাঁরা স্লোগান ও হইচই শুরু করলে বিধানসভার পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

হট্টগোলের মাঝেই নিজের বক্তব্য চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি বারবার স্পিকারের কাছে আবেদন জানান, যাতে বিরোধী বিধায়কদের শান্ত করা হয় এবং তাঁকে বক্তব্য শেষ করার সুযোগ দেওয়া হয়।
Assembly
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পিকার শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে স্মরণ করিয়ে দেন যে, শনিবারের অধিবেশন মূলত ‘গুন্ডা দমন বিল’ নিয়ে আলোচনার জন্য নির্ধারিত। তাই মূল বিষয়েই বক্তব্য রাখার নির্দেশ দেন তিনি। এর পরও কিছুক্ষণ শাসক ও বিরোধী সদস্যদের মধ্যে তর্কবিতর্ক এবং হট্টগোল চলতে থাকে।
আরও পড়ুনঃ ধর্মতলায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা নিন্দনীয়! দাবি শুভঙ্কর সরকারের

