Bengal liberty: রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর তৃণমূল তিনটি শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে। কিছু বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ত্যাগ করে চলে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। এদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষও। কিন্তু, এই মুহূর্তে তাঁকে সুর বদলাতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর মতে, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকাটাই ভালো।

ঋতব্রতকে অস্বীকার রথীনের!
বৃহস্পতিবার মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন বলেন, ‘‘ঋতব্রতর তৃণমূল বলে কিছু নেই। ঋতব্রতর আলাদা শিবির আছে, এটা মনে করি না। তিনি শুধুমাত্র বিরোধী দলনেতা। মমতাকে দেখেই রাজনীতি করছি। মমতার সঙ্গেই আছি। মমতার দেওয়া টিকিটেই জিতেছি। মমতাকে ছেড়ে যাইনি। তৃণমূলে ছিলাম, আছি, থাকব। মমতা কোনও আন্দোলন করলে সেই আন্দোলনের সঙ্গে থাকব।’’ রথীনের এই বক্তব্য থেকেই কার্যত স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তিনি ফের মমতার শিবিরে আসতে চাইছেন। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে বার্তা পাঠানো হয়― যাঁরা তাঁর সঙ্গ ছেড়ে গিয়েছে, তাঁদের সময় দিচ্ছি। মনে করলে মমতা তৃণমূলে যোগ দিন। সেই সূত্র ধরেই কি রথীনের এই ভোলবদল? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।
সম্প্রতি আমডাঙার বিধায়ক কাশেম সিদ্দিকিও কালীঘাট শিবিরে ফিরে এসেছেন। তিনি জানিয়েছিলেন, মমতার সঙ্গে-ই আছেন। এর আগে বসিরহাট উত্তরের বিধায়ক তোসিফুর রহমানও মমতার সঙ্গে থাকার কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন। মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক আব্দুল খালেক মোল্লার গলাতেও একই সুর। ফলে, বর্তমানে একে-একে অনেক বিদ্রোহী বিধায়কই মমতার শিবিরে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। উল্লেখ্য, গত বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়ক জয়লাভ করেছিলেন। এদের মধ্যে ৬৫ জন বিদ্রোহী বিধায়ক ঋতব্রত শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন। সেই ঘটনার ৫ মাস পর আচমকা বিদ্রোহী বিধায়কের এমন সিদ্ধান্তে চাপে বিরোধী দলনেতা।


