Bengal Liberty : আদালত হস্তক্ষেপ না করলে নভেম্বরের প্রস্তাবিত কলকাতা ও হাওড়ার পুরভোট পিছিয়ে যেতে পারে। ওই দুই জায়গায় ভোট হতে পারে ২০ ডিসেম্বর। কমিশন সূত্রে খবর, ভোট নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। কিন্তু তারা কোনও দিনক্ষণ জানায়নি। ওই দুই পুরসভার ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে হতে পারে। ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের জেরে ভোটার লিস্ট সংশোধন ও ১০০টির মতো বুথে ভোট গ্রহণ কেন্দ্র স্থানান্তরের মতো বিষয়গুলি চূড়ান্ত না হওয়াই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কারণ।
কমিশনের এক আধিকারিক জানান, আইন অনুযায়ী এই সব ভোটের ক্ষেত্রে দিনক্ষণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য। এখানে কমিশনের কিছু করার নেই। তবে দিনক্ষণ স্থির করার আগে কমিশনের সম্মতি নিতে হয়। এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে কলকাতার সঙ্গে হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং, কার্শিয়াং পুরসভায় ভোট হতে পারে খবর।
অন্য দিকে, ওই দুই পুরসভার ভোট পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে বুধবার কমিশনে স্মারকলিপি দিয়েছেন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা। তাঁদের সঙ্গে নাগরিক সমাজের কয়েকজন ছিলেন। কংগ্রেস নেতা প্রসেনজিৎ বসু বলেন, “এসআইআরে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। বাদ পড়া ভোটারদের নাম স্পেশাল ড্রাইভ চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।
আমাদের হিসাব কলকাতা এবং হাওড়ায় ৬০-৭০ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। তাঁদের নাম তালিকায় ঢোকানোর ব্যবস্থা হোক। জানুয়ারি মাসের আগে নির্বাচন করাবেন না আমরা এটা জানিয়েছি।” অন্যদিকে সিপিএমের কল্লোল মজুমদারের কথায়, “আমরা কোনও নির্দিষ্ট দলের ফায়দার জন্য আসিনি। ট্রাইবুনাল ১২ বছরে বাদ পড়াদের নিয়ে ফয়সালা করতে পারবেন না। অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “বছরের পর বছর তাঁরা কি ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত থাকবেন? যদি ফয়সালা করতে না পারেন, তবে বাদ পড়া সবাইকে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক।”
আরও খবর
এর আগে ১ জুলাই ভোটার তালিকা বার করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। ওই তালিকা ধরেই দুই পুরসভার ভোট হওয়ার কথা ছিল। পরে আরও একটি তালিকা বার হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানায়, আগামী ১২ নভেম্বর নতুন তালিকা আমাদের হাতে পৌঁছবে। ডিসেম্বর মাসে ভোট হলে সেই তালিকা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। সম্ভবত তার পরেই কলকাতার পুরভোট নিয়ে নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার কথা।


