Bengal Liberty : “পশ্চিমবঙ্গে এক লক্ষ মানুষের জন্য ১০৫ জন পুলিশ। এতে পরিষেবা দেওয়া সম্ভব নয়।” বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কালীঘাট থানার বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে পুলিশি পরিকাঠামো, সাইবার অপরাধ মোকাবিলা এবং কলকাতার যানজট কমানো নিয়ে একাধিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
পুলিশের সংখ্যা বাড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আগামী দু’-তিন মাসের মধ্যে ৩০০ জন আইপিএস পাবেন আপনারা। চার হাজার পুলিশ কনস্টেবলও পাবেন। এই চার হাজার কর্মী যোগ দিলে কলকাতার ৮০টি থানায় কর্মীর সংখ্যা বাড়বে।” মহিলা হেল্প ডেস্ক এবং বিপর্যয় মোকাবিলার ক্ষেত্রেও পুলিশের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সাইবার অপরাধ নিয়ে সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মুহূর্তের মধ্যে সারা জীবনের জমানো সমস্ত সঞ্চয় চলে যাচ্ছে।” সাইবার অপরাধ, ইভটিজিং এবং শ্লীলতাহানির মতো ঘটনা মোকাবিলায় পুলিশকে আরও যত্নবান হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি, দ্রুত সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে পরিষেবা দেওয়ার জন্য পুলিশকে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার বার্তাও দেন শুভেন্দু অধিকারী।
আরও খবর
কলকাতার যানজট সমস্যা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পুরো শহরকে ভবিষ্যতে যানজট থেকে বাঁচানোর জন্য আমাদের সরকার কলকাতা-কেন্দ্রিক রিং রোড তৈরির পরিকল্পনা করছে।” শহরে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করা এবং ট্রাফিক পরিষেবা আধুনিক করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
এদিন কালীঘাট ও ভবানীপুর এলাকার বিধায়ক হিসেবে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিধায়ক যত উঁচুতেই উঠুন না কেন, তাঁকে এলাকার মানুষের মধ্যে থাকতে হবে। মানুষ তাঁকে দেখতে পাবে, তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারবে। এটাই সমস্ত নির্বাচকমণ্ডলী আশা করে। তাই এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভবানীপুর ও কালীঘাট এলাকার আমার নির্বাচকমণ্ডলী, আমার যাঁরা আশীর্বাদক, যাঁরা আমার উপদেষ্টা, যাঁরা আমার সহনাগরিক, তাঁদের সঙ্গে এই উৎসবের মধ্যে দেখা হল। এটা আমার কাছে পরম প্রাপ্তি।”


