কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী
কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী

রাহুলের পর ১ নভেম্বর সভা স্থগিতের দাবিতে সোনিয়াকে চিঠি

বনিক সমাজের তরফে সোনিয়াকে লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ১ নভেম্বরের জনসভায় প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ জমায়েত হতে পারে। প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার যানবাহনের আনাগোনা হতে পারে মধ্য দিল্লি জুড়ে। বিপুল জন সমাবেশের ফলে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হতে পারে দিল্লির রাস্তায়। এর ফলে দিল্লির ২০টি বাজারে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকার ব্যবসায় ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। চিঠিতে ব্যবসায়ীদের আর্জি, ১ নভেম্বরের সমাবেশটি যদি দেওয়ালির পর করা হয়, তাহলে খুব ভালো হয়। কারণ, আগামী ৬ নভেম্বর রয়েছে ধনতেরাস ও ৮ নভেম্বর হল দেওয়ালি। সেই সময় উৎসবকে ঘিরে প্রচুর কেনাকাটা হয়ে থাকে।

১ নভেম্বর দিল্লির বাজারগুলিতে প্রচুর ব্যবসায়িক লেনদেন হয়ে থাকে। ফলে এই সময় যদি সমাবেশ হয়, তাহলে প্রচুর ব্যবসায়িক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বণিক সভার চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েলের আর্জি, তাঁরা সমাবেশের বিরোধিতা করছেন না। তাঁরা চান, দেওয়ালির সময়ের কথা ভেবে ও ব্যবসায়ীদের দিকে তাকিয়ে যেন পুরো বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।

ইতিমধ্যে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে দুটি চিঠি দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাতে রাহুল তাঁদের জানিয়েছেন, ব্যবসায়ীরা যেন মোদিকে গিয়ে বলেন জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে। তাহলে তিনি আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেবেন। এই প্রেক্ষাপটে সোনিয়া কি ব্যবসায়ীদের ডাকে সাড়া দেবেন, এখন সেটাই দেখার।

Bengal Liberty