Bengal Liberty: সপ্তাহের প্রথম দিনেই আবহাওয়ার মেজাজ বদলের ইঙ্গিত। ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর প্রভাবে সোমবারও রাজ্যের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, হাওড়া থেকে শুরু করে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা এবং উত্তরবঙ্গেও হালকা বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই। কোথায় কেমন থাকবে আবহাওয়া?
কলকাতা ও হাওড়ার আবহাওয়া
সোমবার কলকাতা ও হাওড়ার আকাশ মূলত মেঘলা থাকতে পারে। দু’এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই পরিস্থিতি থাকতে পারে হুগলি জেলাতেও। তবে সারাদিন ধরে একটানা বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনাতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া
কলকাতা ও সংলগ্ন জেলা ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় এক-দু’টি জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৩ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এই পূর্বাভাস কার্যকর থাকবে।
আরও খবর
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ির এক-দু’টি জায়গায় হালকা বৃষ্টি কিংবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও একই ধরনের আবহাওয়া থাকতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর প্রভাবে বাংলার কোথায় কী?
এদিকে বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মুরাসু। আবহাওয়া দফতরের ২ নভেম্বর ভোর ৫টার বুলেটিন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে ২ নভেম্বর গভীর রাত থেকে ৩ নভেম্বর ভোরের মধ্যে নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে। ল্যান্ডফলের সময় ঝড়ের সর্বোচ্চ স্থায়ী গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০-১১০ কিলোমিটার এবং দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। তবে ঘূর্ণিঝড়টির সরাসরি আছড়ে পড়ার আশঙ্কা বাংলায় নেই। তার প্রভাবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আপাতত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনাই রয়েছে।


