Bengal Liberty : ইরানের উপর চাপ বাড়াতে এ বার দেশটির স্থলপথে অস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে আমেরিকা। তার জন্য ২০ সদস্যের একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে আমেরিকান সামরিক বাহিনীর পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক কমান্ড সেন্টকম। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার শনিবার এক্স হ্যান্ডেলে এক বিবৃতিতে এই পরিকল্পনার কথা সকলকে জানিয়েছেন।
এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের বন্দরগুলি ঘিরে চলমান নৌ অবরোধের পাশাপাশি স্থলপথেও তেহরানের সরবরাহ ব্যবস্থায় বাধা দিতে চায় ওয়াশিংটন। গত আট মাস ধরে চলা দুই দেশের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আবহে মার্কিন এই পদক্ষেপ পশ্চিম এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
এদিন সেন্টকম জানায়, ‘টাস্কফোর্স আয়রন গেট’ নামে নতুন এই ইউনিট গঠন করা হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ফ্লোরিডায় অবস্থিত এই বিশেষ টাস্কফোর্সে ২০ জন সামরিক ও অসামরিক সদস্য থাকবেন। এর মূল লক্ষ্য, উন্নত অস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে ইরান যাতে স্থলপথ ব্যবহার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা। ইরানের স্থল সীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে অস্ত্র ব্যবস্থা, দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি, নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত পণ্য এবং অবৈধ অর্থের প্রবাহ বন্ধে বিভিন্ন আমেরিকান সরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌখ ভাবে কাজ করবে এই ইউনিট।
আরও খবর
সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, সমুদ্রপথে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার অবরোধের সাফল্য বজায় রাখবে নতুন এই টাস্কফোর্স। আমেরিকার পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক প্রাক্তন সচিব মাইকেল মুলরয় কাতারভিত্তিক এক সংবাদমাধ্যমকে জানান, কোথা থেকে ইরানে অস্ত্র আসছে, কী ভাবে সে সব সরবরাহ বন্ধ করা যায় এবং দেশটি কী ভাবে জ্বালানি পরিবহণ করছে, তা চিহ্নিত করাই হবে এই ইউনিটের কাজ। উল্লেখ্য, যুদ্ধের শুরুতেই ইরানের ওপর কঠোর নৌ-অবরোধ (Naval Blockade) জারি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল তেহরান।


