সুনির্মল বোস, Bengal Liberty: অশ্বিনের মাঝামাঝি বাজনা বাজি উঠিল শারদ প্রাতে , মা আসছেন গজে, যাবেন নৌকোয়। আস্তিকেরা বলছেন, এবারের মায়ের আগমন ও বিদায় দুই বড়ো শুভ। ধনসম্পদ নিয়ে আসার কথা রয়েছে। আর রাজ্যবাসীকে প্রচুর ফসল ফলানোর আশীর্বাদ দিয়ে ধরিত্রী ছাড়বেন মা। আসছে বছর আবার হবে এই অপেক্ষায় থাকবে ভক্তরা।এমনকী অতি বড়ো নাস্তিকের মনটাও যেন মায়ের বিদেয় বেলায় ভিজে ওঠে। কেউ যখন বলছে প্রচুর সম্পদ নিয়ে আসবে মা দূর্গা। যাওয়ার পরও ঢেলে সম্পদ দিয়ে যাবে। তখন কেউ কেউ বলছে , বাস্তবে এসব কিছুই হয় না।

হাঁটু জল কেটে না হয় হাতি সম্পদগুলো নিয়ে এলো। ডাউনলোড করার জায়গা তো আর নেই। বিদায় বেলায় হয়তো আবারও ভাসবে বাংলা।কয়েক দিনের আগের “মেঘভাঙা” বৃষ্টিতে কতটুকুই বা গেল। অবশ্য যার গেল, তার সব গেল। বিদ্যুতের গ্রাসে মৃত্যু হল ১১ জনের । যদিও দায় ঠেলাঠেলিতে ব্যস্ত রাজ্য সরকার।
বই পাড়ার যা অবস্থা সরস্বতী কেমন যেন বিরাগে কষ্ট পাচ্ছেন। নেহাত আসতে হয় তাই ……… , বেমক্কা রেগে আছেন। কান্না ভেজা চোখে মুখ গোমড়া করে আছেন। সাড়ে ছয় লক্ষ্য শিক্ষকপ্রার্থীর মধ্যে মাত্র ২.৪৬ শতাংশ যেন কোনও ক্রমে সাঁতরে ঢুকতে পারল। এই করে মান রক্ষা হলে, মানের আর কিছু থাকে কি? চাকরি তো আর হবে না। ২০২২ থেকে চাকরি পরে রয়েছে রাস্তার ধারে।
আরও খবর
তিন বছর ধরে সরকারি শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবার দেওয়ার লোক নেই বললেই চলে। কারণ টাকা ছাড়ার জন্য কোমরে জোড় নেই সরকারের। কার্তিকও ফ্যাশন ডিসাইনারদের থেকে কিছু পেল না। পয়সা নেই তো, কিনবে কেডা ? গণেশের খাতা লেখা পুজোর আগেই শেষ , এবার কাজ দেখানোর কাজও নেই। পরের বারের কন্ট্রাক্ট ভ্যালু আরও কমবে।


