Bengal liberty : মহালয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সূচনা হয়ে গেল দেবীপক্ষের। আর এই দেবীপক্ষে মা দুর্গাকে আবাহন জানাতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সাড়া। রীতি নীতি মেনেই মহালয়ার পর থেকে শুরু হয়ে যাবে দুর্গাপূজার শুভ উদ্বোধন। ঢাকের বাদ্যিতে শোনা যাবে আগমণীর সুর। তুলে ধরা হবে বাংলার পরম্পরা ও দুর্গাপূজার ইতিহাস। শনিবার সকালে সেই সুরই বেঁধে দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
দুর্গাপুজোয় পালটে যাওয়া কলকাতায় মজলেন দিলীপ, হতাশ অভিষেক
আর পাঁচটা দিনের মতোই এদিন নিউটাউন ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন দিলীপবাবু। এদিন দিলীপ বিগত সরকারের সঙ্গে তুলনা টেনে বলেন, ‘এতদিন বিধি না মেনে দুর্গাপূজার উদ্বোধন হত। আজ, কাল এবং দুদিন পর থেকে পুজো উদ্বোধন শুরু হবে। পাড়ায় পাড়ায় শারদীয়া সুর শোনা যাচ্ছে। ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল। দুর্গাপূজার পরিবেশটা তৈরি হয়ে গেছে।’ মহালয়ার দিন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইডেনে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ৬০ থেকে ৭০ হাজার লোকের জমায়েত হবে ইডেনে। তার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। সেই সঙ্গে শহর কলকাতাও সেজে উঠছে মা দুর্গার আরাধনায়। কলকাতার এই সেজে ওঠা নিয়ে দিলীপবাবু বলেন, ‘শারদীয়ার প্রেক্ষাপটে কলকাতাকে সাজানো হচ্ছে। পাড়ায় পাড়ায় মহালয়ার চণ্ডীপাঠের রেকর্ড বাজছে। যেদিকে যাচ্ছি, শুনছি শারদীয়ার সুর। এই পরিবেশটা দরকার ছিল।’
যদিও এই বিষয়ে পালটা পোস্ট করতেও দেখা গিয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সোশাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘মহালয়ার সকালে কলকাতাকে এতটা নিষ্প্রভ আমি কখনও দেখিনি। উৎসবের আমেজ বা দুর্গাপূজার সেই উদ্দীপনা সবই অনুপস্থিত। যে শহরটি একটা সময়ে মহালয়ার সকালে জেগে উঠত তা যেন অদ্ভুতভাবে স্থিমিত হয়ে পড়েছে।’ উল্লেখ্য, চলতি বছরই রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলকে সরিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। কিন্তু এই রাজনৈতিক পালাবদল কী উৎসবের আবহেও বিরাজমান থাকবে, সেটা ভবিষ্যৎই বলবে।


