চালের ব্যবসাকে সামনে রেখে কি চলছিল হাওয়ালার মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা লেনদেন? এমনই অভিযোগের সূত্র ধরে এবার তদন্তে নামল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বুধবার সকাল থেকে কলকাতা ও শহরতলির একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। নরেন্দ্রপুরে এক চাল ব্যবসায়ীর অফিসেও পৌঁছে গিয়েছেন ED আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। মূলত অসমের গুয়াহাটিতে দায়ের হওয়া একটি মামলার সূত্র ধরেই এই তল্লাশি অভিযান বলে সূত্রের খবর।
নরেন্দ্রপুরের যে বাড়িতে তদন্তকারীরা পৌঁছেছেন, তার বাইরে ‘এক্সিটো অ্যাগ্রোটেক প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থার বোর্ড রয়েছে। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, শ্যামল ব্যাপারী নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে এই সংস্থার যোগ রয়েছে। ওই ব্যবসায়ীর খোঁজেই বাড়িটিতে তল্লাশি চালাচ্ছেন ED আধিকারিকরা। বাড়িটি মূলত অফিস হিসেবেই ব্যবহার করা হত বলে জানা গিয়েছে।
আরও খবর
তদন্তকারীদের প্রাথমিক সন্দেহ, চালের ব্যবসার পাশাপাশি এই সংস্থার মাধ্যমে আমদানি-রফতানির কারবার চলত। সেই ব্যবসার আড়ালেই সাইবার প্রতারণা এবং হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা লেনদেনের একটি চক্র সক্রিয় ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। ইন্টারনেট ও অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করে কীভাবে এই আর্থিক লেনদেন চলত, সেই বিষয়েও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে ইডি সূত্রে খবর।
ইতিমধ্যেই নরেন্দ্রপুর ছাড়াও কলকাতার লেকটাউন-সহ একাধিক এলাকায় পৌঁছেছেন তদন্তকারীরা। কলকাতা ও জেলা মিলিয়ে মোট চারটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চলছে।
এই আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে কত টাকার যোগ রয়েছে, কারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত এবং এর নেপথ্যে আরও কোনও ব্যক্তি বা সংস্থার ভূমিকা রয়েছে কি না, সেই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখছেন ED আধিকারিকরা।


