ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কার খবর আগেই পৌঁছেছিল অন্ধ্রপ্রদেশে। সেই মতো সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় আগাম তৎপরতা শুরু করে অন্ধ্র উপকূলের গুন্টুর জেলা প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আছড়ে পড়ার আগেই সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঝড়ের কারণে শেষ মুহূর্তে যাতে কোনওরকম চিকিৎসাজনিত সমস্যা বা অঘটন না ঘটে, সেই কথা মাথায় রেখেই আগাম ৯৮ জন অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
সাংবাদিক বৈঠকে এই তথ্য জানান জেলা কালেক্টর সি এম সাইকান্ত বর্মা। তিনি জানান, গোটা জেলায় মোট ২৩৩ জন অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে চিহ্নিত করেছিল প্রশাসন। তাঁদের মধ্যে ৯৮ জনকে আগাম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বাকিদেরও নিরাপদে হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই এই আগাম পদক্ষেপ করে প্রশাসন।
উল্লেখ্য, সোমবার মধ্যরাতে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। ল্যান্ডফলের সময় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১২০ কিলোমিটার। এর জেরে অন্ধ্রপ্রদেশের একাধিক উপকূলবর্তী জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্রবল ঝোড়ো হাওয়ায় ভেঙে পড়ে বহু গাছপালা, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘরবাড়ি। ব্যাহত হয় স্বাভাবিক জনজীবন।
আরও খবর
যদিও স্থলভাগে প্রবেশের পর মঙ্গলবার থেকে ধীরে ধীরে শক্তি হারাতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড়টি। বর্তমানে ঝড়ের তীব্রতা অনেকটাই কমলেও গুন্টুর-সহ অন্ধ্রপ্রদেশের একাধিক জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।
এদিকে, গুন্টুর জেলায় জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, এমন ১৭টি গ্রাম চিহ্নিত করে ৬৪টি ত্রাণশিবির প্রস্তুত রেখেছিল প্রশাসন। পাশাপাশি, পুরসভা এলাকায় ২১টি ঝুঁকিপূর্ণ বসতি চিহ্নিত করে ১৯টি ত্রাণকেন্দ্রও তৈরি রাখা হয়। ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় সোমবার থেকেই স্কুল, জুনিয়র কলেজ ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে, ঘূর্ণিঝড় আছড়ে প


