Suvendu vs Abhishek
Suvendu vs Abhishek

অভিষেকের শাসানি শুধুই ফাঁকা আওয়াজ! ফাইল খুলবেন শুভেন্দু?

বলাই বাহুল্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই একাধিক অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে জড়িয়েছে তাঁর নাম। এমনকি, তাঁর আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ও ইতিমধ্যেই জেলে রয়েছেন। পাশাপাশি, তৃণমূলের একের পর এক ছোট-বড় নেতা শ্রীঘরে ঠাঁই পেয়েছেন। দুর্নীতির অভিযোগের বহর আরও বাড়তে পারে বলেও দাবি করেছে বিজেপি। তারপরও হুঁশিয়ারি দিতে পিছপা হচ্ছেন না ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, চাল টিপে ভাত বোঝার চেষ্টা করছেন তিনি। বাইরে থেকে বড় বড় হুঁশিয়ারি দিলেও নিজের লোকসভা কেন্দ্রে যাওয়ার সাহস দেখাতে পারছেন না সাংসদ। তাঁদের আরও প্রশ্ন, যিনি গলা উঁচিয়ে এত কথা বলতে পারেন, তিনি নিজের লোকসভা কেন্দ্রে যাচ্ছেন না কেন? এই তরজার পরিপ্রেক্ষিতে শাসকদলের একাংশের বক্তব্য, “ফাঁকা কলসির আওয়াজ বেশি।”

শুক্রবার বারুইপুরের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবারে প্রার্থী হলে অভিষেককে হারিয়ে দেবেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, “২০২৯ সালে ভোটে দাঁড়াবেন। যত ভোটে জিতেছিলেন, তার চেয়ে একটা হলেও বেশি ভোটে জিতব।” মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা জবাব দেন অভিষেক। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দল সুযোগ দিলে ডায়মন্ড হারবার থেকেই নির্বাচনে লড়বেন। শুধু তাই নয়, এই প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনকেও নিশানা করেন তিনি। এর আগে শুভেন্দু তাঁকে ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে বিজয়া পালন করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার জবাবে অভিষেক বলেন, “আমি ডায়মন্ড হারবার ঠিক যাব, কাঁথিতেও যাব। আমি এলাকা ছেড়ে পালাইনি।”

বৃহস্পতিবার পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন অভিষেক। প্রত্যেক আধিকারিককে নাম ধরে চিহ্নিত করে রাখছেন বলেও বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমার মনে হয় যে চ্যালা ক্যামাক স্ট্রিটের টাকা তুলত, সে সব বলে দিয়েছে। ১৫ বছর সরকারে ছিল, তাই ওদেরও তিন-চারটে লোক থাকতে পারে, যাদের সঙ্গে ফেসটাইমে কথা বলে। মনে হয় সোডিয়াম-পটাশিয়ামের সমস্যা হয়েছে। নিউইয়র্কে যেতে চাইছেন, যান। আমরা এনওসি করে দেব। আমরা সব দেখছি।”

Dipsikha Mandal
দীপশিখা মণ্ডল

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে ২০২৩ সালে সাংবাদিকতা জগতে প্রবেশ। ETV ভারত, এক্সপ্রেস নিউজ ঘুরে এখন বেঙ্গল লিবার্টি-তে। বিনোদন, দেশ দুনিয়ার খবরের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। ঝোঁক বেশি রাজ্য এবং জেলার খবরে। ফটোগ্রাফিতেও সময় কাটে। অসময়ের সঙ্গী বই আর সিনেমা। নেশার বস্তু কফি, প্রকৃতি আর কবিতা।