Bengal Liberty : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বিভিন্ন ক্ষেত্রের রাজ্য সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত কর্মীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে তৎপর হয়েছে রাজ্য অর্থ দফতর (Dearness Allowances)। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দফতরকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বেতন পোর্টালে বকেয়া ডিএ-র বিল জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে প্রশাসন (Dearness Allowances)।

১৫ দিনের মধ্যে প্রস্তুতির নির্দেশ (Dearness Allowances)
অর্থ দফতর সূত্রে খবর, বিভিন্ন সরকারি দফতরের অধীন তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) কর্মীদের আপাতত অন্য কোনও আর্থিক বকেয়ার (এরিয়ার) বিল নির্দিষ্ট পোর্টালে জমা না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ, বর্তমানে অগ্রাধিকার পাচ্ছে অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মীদের বকেয়া ডিএ পরিশোধের প্রক্রিয়া। সরকারি অনুমোদিত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, বিধিবদ্ধ বোর্ড, কর্পোরেশন-সহ বিভিন্ন অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মীদের রোপা ২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া ডিএ পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট বেতন পোর্টালে পৃথক একটি অপশন বা মডিউল তৈরি করা হবে। সম্প্রতি অর্থ দফতরের সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের ভার্চুয়াল বৈঠকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর বকেয়া বিল জমা দেওয়ার বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশিকা জারি করবে অর্থ দফতর।

পুজোর আগেই মিলবে বাড়তি ডিএ (Dearness Allowances)
এর আগে রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে, এ বছর পুজোর আগেই সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বর্ধিত মহার্ঘ ভাতার টাকা তাঁদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে পূর্ণসময়ের রাজ্য সরকারি কর্মীরা সংশোধিত মূল বেতনের ৩৮ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন। প্রথম বাজেটেই বকেয়া ডিএ মেটানোর আশ্বাস দিয়েছিল রাজ্য সরকার। পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা না করিয়ে পুজোর আগেই কর্মীদের প্রাপ্য অর্থ দেওয়া হবে। এবার সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ও সংস্থার কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রস্তুতিও জোরকদমে শুরু করেছে রাজ্য সরকার।
আরও খবর
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/08/05/bjp-government/


