prashant kishor
Bengal Liberty: বিহারের রাজনীতিতে বড় বদল আসতে চলছে, ক্ষমতা ক্ষমতাসীন দল মুখ থুবড়ে পড়তে বলে ধারণা ভোট কৌসুলি থেকে রাজনীতিক হয়ে ওঠা প্রশান্ত কিশোরের। তাঁর দাবি, এবারের নির্বাচনের এক্স ফ্যাক্টর পরিযায়ী শ্রমিক। যার জেরে জন সুরাজের পার্টির উত্থান ঘটবে।
শুক্রবার জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর বলেন, “স্বাধীনতার পর থেকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মধ্যে এবারই বিহারে সর্বাধিক ভোট পড়েছে। তাতে প্রমাণিত হয় যে, বিহারের ৬০ শতাংশের অধিক জনগণ পরিবর্তন চায়।”
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফার নির্বাচনে ৬৪.৬৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। ১৯৫১ সালের পর এই হার ঐতিহাসিক। ২০২০ সালে ৫৭.২৯ শতাংশ ভোট পড়েছিল। এই তথ্য উত্থাপন করে তাঁর বক্তব্য, “গত ২৫-৩০ বছর ধরে মানুষ রাজনীতিতে বিকল্প না দেখায় কিছুটা উদাসীন ছিল। বিহারের রাজনীতির ময়দানে জন সুরাজ পার্টির আগমন ঘটায় তারা নতুন বিকল্প পেয়েছে। ভোটের উচ্ছ্বাসই তার প্রমাণ।”
শ্রমিকরাই নির্বাচনের ‘এক্স ফ্যাক্টর’ পরিযায়ী শ্রমিক। ছট উৎসবের মরশুমে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক নিজের রাজ্যে ফিরেছেন। ভোট দেওয়ার জন্য বিহার ছাড়েন নি তাঁরা। এমনটাই দাবি প্রশান্ত কিশোরের।
নারী ভোটারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও কিশোরের মতে, শুধু সরকারি আর্থিক সাহায্যের কারণে নারীরাই ফল নির্ধারণ করবেন, এমন ধারণা ভুল। “নারীদের ভোট গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এবার পরিযায়ী শ্রমিকরাই মূল চালিকা শক্তি।”

তরুণ ভোটারদের উৎসাহ নিয়েও আশাবাদী প্রশান্ত কিশোর(prasant kisor)
তাঁর মতে, “এই প্রথমবার তরুণরাই সবচেয়ে আগ্রহ নিয়ে ভোট দিয়েছেন। তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ ও পরিবর্তনের জন্য ভোট দিচ্ছে,” বলেন তিনি।
এদিন প্রশান্ত নিজের যুক্তি খাড়া করে বলেন, অতীতে যে রাজ্যগুলিতে ভোটের হার হঠাৎই বেড়েছে, সেখানে সাধারণত ক্ষমতাসীন সরকার পরিবর্তনের মুখে পড়েছে।

