mamata vs muslim community
দিয়া জানা, Bengal Liberty: মমতার দূর্গা মন্দিরে অখুশি মুসলিমরা! হুমায়ুনের বাবরি মসজিদের পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata banerjee) জনপ্রিয়তা বাড়াতে প্রচারের জোর দিতেই নিউটাউনের দুর্গাঙ্গনের সূচনা। যদিও, কোটি টাকা খরচ করেও শেষ মুহূর্তে পাল্টে ফেলা হ’ল মন্দিরের জমি। কারণ, সংখ্যালঘুদের ক্ষোভ বিশাল।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২৯ ডিসেম্বর নিউটাউনে দুর্গাঙ্গনের শিলান্যাস করার কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ঘটনাচক্রে বিগত দু’মাস ধরে জমি ভরাট করেও মুসলিম জমির মালিকদের আপত্তিতে বদলে ফেলতে হ’ল দুর্গাঙ্গনের ময়দান। হিন্দুদের ধর্মস্থল তৈরিতে মুসলিমদের আপত্তি নেপথ্যে রয়েছে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের অন্দরে মমতার জনপ্রিয়তা পারদ নিম্নমুখী হওয়ার ঘটনা? যা নিয়ে চিন্তিত তৃণমূল (Mamata banerjee)।
জমি দিতে আপত্তি মুসলিম সম্প্রদায়ের (Durga angan)
প্রথম দিকে দুর্গাঙ্গনের জমির মালিকরা আপত্তি না-জানালেও পরবর্তীতে হঠাৎ কেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা জমি দিতে আপত্তি জানাচ্ছেন? নিউটাউন রাজারহাট চত্বরের মতো সংখ্যালঘু প্রবণ এলাকায় হিন্দু মন্দির তৈরিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আপত্তি ভোটমুখী বাংলায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য যথেষ্ট চিন্তার। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সমাজ মাধ্যমে দুর্গাঙ্গনের স্থান পরিবর্তনকে কটাক্ষ করতে পিছ-পা হননি। তাঁর মত, দুর্গাঙ্গনের বিষয়টা থেকে স্পষ্ট, মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্দরে মমতার প্রতি ক্ষোভের বৃদ্ধি পেলে। অবশ্য, বিরোধী দলনেতার এই অভিযোগ খোলা চোখে মানতে নারাজ তৃণমূল কর্মীরা।
ভোটমুখী সময়ে মমতার জনপ্রিয়তা রাজ্যবাসীর কাছে তুলতে রাতে নিউটন চত্ত্বর সেজে উঠেছে নীল-সাদা লাইটে। পথে-পথে বসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যানার, হোর্ডিং, পোস্টার। এই সব আলোর মাঝেও ‘দুধেল গাই’-দের গুঁতো সহ্য করতে গিয়ে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নেমে পড়েছেন মমতা।
