Nadia Eye Controversy
Bengal Liberty, Kolkata: মায়ের চক্ষুদানকে ঘিরে গ্রেফতার (Nadia Eye Controversy), ভাঙচুর ও পাল্টা অভিযোগে চাঞ্চল্য কৃষ্ণনগরে। তিনদিন জেল হেফাজতে থাকার পর অবশেষে জামিন পেলেন সমাজকর্মী আমির চাঁদ শেখ সহ তাঁর পরিবারের পাঁচ সদস্য। ২ হাজার টাকার বন্ডে জামিন মঞ্জুর করেছে কৃষ্ণনগর জেলা আদালত বিরোধিতা করেননি সরকারি আইনজীবী।

চক্ষুদান নিয়ে বিতর্ক, ঘটনার সূত্রপাত (Nadia Eye Controversy)
গত ৮ ফেব্রুয়ারি কৃষ্ণনগরের সেনপুর এলাকার বাসিন্দা রাবেয়া বিবির মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর কর্নিয়া সংগ্রহ করে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। অভিযোগ ওঠে, চক্ষুদানের কোনও নথি তাৎক্ষণিকভাবে দেখাতে পারেনি পরিবার। গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, বৃদ্ধার চোখ বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বৃদ্ধার ছেলে আমির চাঁদ শেখ সহ পরিবারের পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
Agnimitra Paul: বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা@paulagnimitra1 @SuvenduWB @BJP4India @BJP4Bengal #BJP #bjpwestbengal #angimitrapaul pic.twitter.com/lbf2ClMBz1
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 13, 2026
ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, যথাযথ তথ্য যাচাই না করেই তড়িঘড়ি গ্রেফতার করা হয় পরিবারের সদস্যদের। তবে বিতর্কের মধ্যেই সামনে আসে মুর্শিদাবাদ হাসপাতালের আইব্যাঙ্কের (Murshidabad Medical College and Hospital) ইস্যু করা শংসাপত্র। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, প্রয়াত রাবেয়া বিবির কর্নিয়া দৃষ্টিহীনদের জন্য দান করা হয়েছিল। এই নথি প্রকাশ্যে আসার পরই মামলার মোড় ঘুরতে শুরু করে এবং গ্রেফতারির চার দিনের মাথায় আদালত জামিন মঞ্জুর করে।

গ্রেফতারির পর ভাঙচুর, হামলার অভিযোগে নিষ্ক্রিয় পুলিশ (Nadia Eye Controversy)
আমির চাঁদের গ্রেফতারির পর উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। অভিযোগ, তাঁর বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় এবং পরিবারের কয়েকজনকে মারধর করা হয়। এমনকি দুই মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগও ওঠে। ৯ ফেব্রুয়ারি কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও তিন দিন পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে দাবি পরিবারের। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে- একদিকে দ্রুত গ্রেফতারি, অন্যদিকে হামলার অভিযোগে নিষ্ক্রিয়তা কেন?
