Bengal Liberty, Kolkata:
জীবনতলা থানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে(Gyanesh Kumar controversy) কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা স্থানীয় ভোটারদের হয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ৭টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগের মূল বিষয়, বৈধ ভোটার হওয়া সত্ত্বেও SIR প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বারবার ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া।
অভিযোগের বিস্তারিত Gyanesh Kumar controversy
শওকত মোল্লা জানিয়েছেন, অভিযোগকারীরা তাঁর বিধানসভার বাসিন্দা। তারা ২০০২ সালে ভোট দিয়েছে এবং তাদের এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়া হয়েছে। তবে বারবার হিয়ারিংয়ের নামে বিরত করা হয়েছে। তাঁরা আশঙ্কা করছেন, চূড়ান্ত খসড়া তালিকায় তাঁদের নাম বাদ পড়তে পারে, যাতে ভোট দেওয়ার অধিকার ব্যাহত হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি কীভাবে আইনগতভাবে এগোতে পারে তা বর্তমানে আলোচনা করা হচ্ছে।
আরও খবর

বিধায়কের মন্তব্য Gyanesh Kumar controversy
শওকত মোল্লা জানিয়েছেন, স্থানীয় জনগণ ও ভোটারদের নিয়ে এমন হেনস্থা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, যে ভোটারদের ২০০২ সাল থেকে পিতামাতার সঙ্গে লিঙ্ক আছে, তাদের সমস্ত ডকুমেন্ট জমা থাকা সত্ত্বেও হেয়ারিংয়ের নামে বাধা দেওয়া হয়েছে। মোল্লা আরও অভিযোগ করেছেন, এই প্রক্রিয়া পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার সীমিত করার জন্য চলছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, “নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য নিশ্চিত করা যে ভোটাররা তাদের অধিকার নিরাপদে ব্যবহার করতে পারে।”
রাজনৈতিক প্রভাব Gyanesh Kumar controversy
স্থানীয় বিজেপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কাজ করছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে এই ধরনের সমস্যা ভোটের স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে প্রশ্ন উঠছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগেই লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হল কেন? এবং কী করেই তাঁরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করছেন নাম বাদ যাবে এই আশঙ্কা করে? তবে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে এই ধরনের হস্তক্ষেপ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।


