TMC vs BJP
Bengal Liberty: একদিকে তৃণমূল তাসের ঘর যেন ভাঙতে বসেছে, তাই অস্তিত্ব টেকাতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্যের বর্তমান প্রধান বিরোধী দল। অন্যদিকে, সোমবার পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বিজেপি; তবে দফতর বণ্টন এখনও বাকি। এরই মধ্যে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দিল্লি যাচ্ছেন। একই দিনে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুও সফরে দিল্লি যাচ্ছেন। মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া ৩৫ জন মন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন কে কোন দফতর পাবেন, তা নিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। তবে শুধুই কি দফতর বণ্টনের জন্য স্পিকারকে নিয়ে এই ঝটিকা সফর? বিজেপি সূত্রের খবর, রাজধানীতে একটি বিশেষ বৈঠকেও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে শুভেন্দুর। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে—রাজ্যের বর্তমান প্রধান আলোচ্য বিষয় ‘তৃণমূলের ভাঙন’ নিয়েও কি আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে? সময় যত গড়াচ্ছে, জল্পনার পারদ ততই চড়ছে (TMC vs BJP)।

স্পিকারকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফর (TMC vs BJP)
নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টন সোমবার হওয়ার কথা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত কোনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে কে কোন মন্ত্রকের দায়িত্ব পেতে চলেছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে (TMC vs BJP)। এই আবহেই মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন, রাজধানীতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন ও অমিত শাহ সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে। সূত্রের খবর, সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক একাধিক বিষয় নিয়ে সেখানে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পরই মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত দফতর বণ্টনের ছবি স্পষ্ট হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

তৃণমূলের অস্তিত্ব সংকট নিয়েও কি আলোচনা?
রাজ্যের রাজনীতিএখন উত্তপ্ত! চারদিকে এখন একটাই গুঞ্জন—তৃণমূল দলটা কি শেষ হয়ে যাবে? একদিকে দলবিরোধী কার্যকলাপের জন্য তৃণমূল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করেছে; অন্যদিকে, ঘাসফুল শিবিরের একাধিক বিধায়ক ঋতব্রতর সঙ্গে গোপনে দেখা করছেন।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ঋতব্রতর রণকৌশল মোতাবেক মহারাষ্ট্রের ধাঁচে তৃণমূল ভাঙিয়ে দলটিকে খণ্ড-বিখণ্ড করে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। সেই লক্ষ্যেই বহু তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে এই মুহূর্তে সরাসরি যোগাযোগ রাখছেন তিনি। দল ভাঙন রুখতে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিশ্বস্ত সৈনিক কুণাল ঘোষ, দোলন ও মদন মিত্ রসহ অন্যান্য নেতাদের নিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। এই উত্তপ্ত আবহে স্পিকারকে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিঃসন্দেহে বড় প্রশ্ন তুলে দিল—কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় কি রাজ্যের এই রাজনৈতিক ভাঙনের বিষয়টিই সবার ওপরে থাকবে?
আরও পড়ুন : ফাঁসলেন রচনা ব্যানার্জী! তবে কি এবারের ঠিকানা শ্রীঘর?


